
মানুষের মৌলিক অধিকার রক্ষার করতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব পিআর পদ্ধতিতে নির্বাচন দিতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম (পীর সাহেব চরমোনাই)। বুধবার বিকালে জেলা শিল্পকলা একাডেমির হাছনরাজা মিলনায়তনে ‘ইসলাম, দেশ ও মানবতার কল্যাণে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামপন্থীদের ঐক্য ভাবনা’ শীর্ষক ওলামা ও সুধী সম্মেলনে এসব কথা বলেন তিনি।
মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেন, যদি আগের পদ্ধতিতে নির্বাচন হয় তাহলে আবারও সেন্টার দখল করার পাঁয়তারা হবে। আপনাদের তখন পছন্দের প্রার্থীকে সংসদে পাঠাতে পারবেন না। বিভিন্ন কায়দায় এখন হাজার—হাজার, লক্ষ—কোটি টাকা লোপাট হচ্ছে। যখন নির্বাচন আসবে তখন এই টাকা বাতাসে উড়বে, কালো টাকার দৌরাত্ম্যে তখন ভালো মানুষের টিকা বড় কঠিন।
যখন এককভাবে কেউ ক্ষমতায় যায় তখনই ফ্যাসিস্ট চেহারা তৈরি হয়, যার সাক্ষী ইতিহাস উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, যখনই তারা এককভাবে সংবিধান পরিবর্তন করার ক্ষমতা পেয়ে যায়, তখন তাদের যা মনে চায় তাই করে। ৭০ শতাংশ লোকের ভোটের কোন মূল্যায়ন তখন থাকে না। পিআর পদ্ধতিতে আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব সংসদে আসবে, এতে করে একটা ভোটের মূল্যায়ন হবে। সব দলের প্রতিনিধি সংসদে থাকবে, তখন এক পার্সেন্ট ভোট পাওয়া মানে হলো তিনজন এমপির সংসদে যাওয়া। এসময় তিনি আগে স্থানীয় নির্বাচন এবং পরে জাতীয় নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান।
ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মুফতি শহীদুল ইসলাম পলাশীর সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় সংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) হাফিজ (এলএলবি) মাওলানা মাহদুল হাসান, জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক (সিলেট বিভাগ) হাফিজ মাওলানা মুফতী মঈনুদ্দিন খান তানভীর, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ সুনামগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি মাওলানা তাফাজ্জুল হক আজিজ, বাংলাদেশ জামাতে ইসলাম সুনামগঞ্জ জেলার আমির মাওলানা তোফায়েল আহমদ খান, গণ অধিকার পরিষদের আবদুল বারী সহ ও এনসিপির নেতৃবৃন্দ।