সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার ৭নং জগদল ইউনিয়নের হোসেনপুর বাজারে গণসংযোগ করেছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রুবেল আহমেদ। বুধবার বিকেলে হোসেনপুর বাজারের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে তিনি ব্যবসায়ী, পথচারী ও সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। এ সময় স্থানীয়দের সঙ্গে কুশল বিনিময়ের পাশাপাশি তাদের বিভিন্ন সমস্যা, প্রত্যাশা ও এলাকার উন্নয়ন নিয়ে কথা বলেন তিনি।
গণসংযোগকালে রুবেল আহমেদকে ঘিরে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ দেখা যায়। বাজারের বিভিন্ন দোকানে গিয়ে তিনি ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যের খোঁজখবর নেন। একই সঙ্গে বাজারে আসা বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে মতবিনিময় করেন।
এ সময় অনেকেই চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রুবেল আহমেদের সঙ্গে করমর্দন করেন, কুশল বিনিময় করেন এবং বিভিন্ন বিষয়ে নিজেদের মতামত তুলে ধরেন। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভালোবাসা ও আন্তরিকতায় আবেগাপ্লুত ও মুগ্ধ হন রুবেল আহমেদ।
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়েও খোঁজ নেন। বিশেষ করে যোগাযোগব্যবস্থা, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, রাস্তাঘাট, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং সাধারণ মানুষের নাগরিক সুবিধা নিয়ে তিনি স্থানীয়দের মতামত শোনেন। জনগণের প্রয়োজন ও প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দিয়ে ভবিষ্যতে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
গণসংযোগে অংশ নেওয়া স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, জনপ্রতিনিধির সঙ্গে সরাসরি কথা বলার সুযোগ পেলে এলাকার বাস্তব সমস্যাগুলো তুলে ধরা সহজ হয়। তারা আশা করেন, যারা জনপ্রতিনিধিত্বের দায়িত্বে আসবেন, তারা যেন দল-মত ও ব্যক্তিগত সম্পর্কের ঊর্ধ্বে উঠে সাধারণ মানুষের পাশে দাঁড়ান এবং এলাকার উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখেন।
রুবেল আহমেদ বলেন, “হোসেনপুর বাজারে এসে সাধারণ মানুষের যে ভালোবাসা, আন্তরিকতা ও সাড়া পেয়েছি, তা আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে। মানুষের সঙ্গে সরাসরি কথা বললে তাদের বাস্তব সমস্যা ও প্রত্যাশাগুলো জানা যায়। জনগণের ভালোবাসা ও আস্থা আমার জন্য বড় অনুপ্রেরণা।”
তিনি আরও বলেন, “আমি বিশ্বাস করি, একটি ইউনিয়নের উন্নয়ন শুধু একটি নির্দিষ্ট এলাকার উন্নয়ন নয়; বরং ইউনিয়নের প্রতিটি গ্রামের মানুষের জীবনমান উন্নয়নের সঙ্গে এর সম্পর্ক রয়েছে। তাই মানুষের কথা শুনে, তাদের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিয়ে এবং সবার অংশগ্রহণের মাধ্যমে একটি সুন্দর ও উন্নত ইউনিয়ন গড়ে তোলার লক্ষ্য থাকা প্রয়োজন।”
গণসংযোগের সময় রুবেল আহমেদের সঙ্গে স্থানীয় কয়েকজন শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমর্থক উপস্থিত ছিলেন। তারা বাজারের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন এবং রুবেল আহমেদের সঙ্গে তাদের মতবিনিময়ের সুযোগ করে দেন।
হোসেনপুর বাজারের এই গণসংযোগকে ঘিরে স্থানীয়দের মধ্যে উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যায়। দীর্ঘ সময় ধরে বাজারের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলেন রুবেল আহমেদ। এ সময় বয়স ও পেশাভেদে বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ তার সঙ্গে কথা বলেন।
গণসংযোগ শেষে রুবেল আহমেদ স্থানীয় মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, মানুষের ভালোবাসা ও সহযোগিতা তাকে আরও বেশি দায়িত্বশীল করে তুলেছে। ভবিষ্যতে জনগণের প্রত্যাশা ও এলাকার প্রয়োজনকে সামনে রেখে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।
স্থানীয়দের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যমে তাদের কথা শোনা এবং এলাকার সমস্যা ও সম্ভাবনা সম্পর্কে ধারণা নেওয়ার ধারাবাহিকতায় হোসেনপুর বাজারে এই গণসংযোগ করেন রুবেল আহমেদ। সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত উপস্থিতি ও আন্তরিকতায় গণসংযোগটি প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে।