1. muftiabutahermisbah@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
  2. sylhetersangram2025@gmail.com : sylhetersangram :
যমুনার চরে বিনাচাষে গাইঞ্জা ধান, কম খরচে সোনালি স্বপ্ন কৃষকের - sylhetersangram
২রা নভেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৭ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| সোমবার| সন্ধ্যা ৭:১৪|
Title :
মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর দাফনে বাধার প্রতিবাদে যশোরে মানববন্ধন ও গণসমাবেশ জামালগঞ্জে সার-বীজ মনিটরিং সভা অনুষ্ঠিত মোকাদ্দেস হোসেন বাবু স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের পয়েন্ট পর্ব শেষ, সেমিফাইনালে চার দল বীরগঞ্জে পলাশবাড়ী চাষী ক্লাবের ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন রাসায়নিক দিয়ে কদবেল পাকানোর দায়ে ফল ব্যবসায়ীকে জরিমানা ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়ক অবরোধ রাজিব পরিবহন বন্ধের দাবিতে সংবাদ প্রকাশের জেরে দুই সাংবাদিকের বিরুদ্ধে সাইবার মামলা, মৌলভীবাজারে ক্ষোভ সুনামগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য এড. নুরুল ইসলাম নুরুলের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের প্রতিবাদ জেলা বিএনিপর সংবাদ সম্মেলন শাবিপ্রবিতে এইচআরডিএস’র প্রথম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সু‌বিধা ব‌ঞ্চিতদের পা‌শে সেনাবাহিনী 

যমুনার চরে বিনাচাষে গাইঞ্জা ধান, কম খরচে সোনালি স্বপ্ন কৃষকের

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, অক্টোবর ২৫, ২০২৬,
  • 52 Time View

ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি:
যমুনার বুকে জেগে ওঠা চর, কোথাও বালু, কোথাও পলিমাটির স্তর। সেই চরের নিচু জমিতে বিনা চাষেই গাইঞ্জা ধানের চারা রোপণ করছেন কৃষকেরা। জমি চাষ, সেচ ও নিড়ানির খরচ নেই বললেই চলে। তাই কম খরচে ভালো ফলনের আশায় গাইঞ্জা ধান চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন বগুড়ার ধুনট উপজেলার যমুনাপাড়ের কৃষকেরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি বিঘায় ১৩ থেকে ১৫ মণ ধান পাওয়ার আশা করছেন তাঁরা।
উপজেলার ভাণ্ডারবাড়ী ইউনিয়নের নিউ সারিয়াকান্দি, পুখুরিয়া, বানিয়াজান ও ভুতবাড়ীসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে চলছে গাইঞ্জা ধানের চারা রোপণ। নদীর পানি কমে যাওয়ায় চরের নিচু জমিতে জমে থাকা পলি ও মাটির আর্দ্রতাকে কাজে লাগিয়ে এ ধান চাষ করছেন কৃষকেরা। প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে চলছে চারা রোপণের কাজ।
স্থানীয় কৃষকেরা জানান, বর্ষা মৌসুমে উজান থেকে নেমে আসা পানির সঙ্গে যমুনার চরে পলিমাটি জমে। পানি কমে গেলে চরের নিচু জায়গায় ছোট ছোট গর্ত তৈরি হয়। এসব গর্তে জমে থাকা পানি ও পলিমাটিতে বিনা চাষেই গাইঞ্জা ধানের চারা রোপণ করা যায়। এতে জমি প্রস্তুত, সেচ ও নিড়ানির খরচ বেঁচে যায়। ফলে চারা কেনা ও শ্রমের খরচ ছাড়া বাড়তি ব্যয় তুলনামূলক কম হয়। তবে এবার ধানের চারার দাম বেশি হওয়ায় কিছুটা বাড়তি খরচ হচ্ছে।
পুখুরিয়া চরের কৃষক আবু তালেব বলেন, প্রায় চার-পাঁচ বছর ধরে গাইঞ্জা ধান চাষের উপযোগী চর তেমন জেগে ওঠেনি। এ কারণে এবার ধানের চারার দাম বেশি। তবে খরচ বাড়লেও ফলন ভালো হলে লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, চারা রোপণের ২০ থেকে ২৫ দিন পর জমিতে হালকা মাত্রায় ইউরিয়া সার প্রয়োগ করা হয়। সাধারণত এ ধানে কীটনাশক ব্যবহার করতে হয় না। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে প্রতি বিঘায় ১৩ থেকে ১৫ মণ ধান পাওয়া যায়। কম খরচে উৎপাদিত এ ধান পরিবারের খাদ্যচাহিদা মেটানোর পাশাপাশি বাড়তি আয়েও ভূমিকা রাখে।
যমুনাপাড়ের কৃষক চান মিয়া বলেন, ভাদ্র মাসের মাঝামাঝি থেকে আশ্বিন মাসের প্রথমার্ধ পর্যন্ত গাইঞ্জা ধানের চারা রোপণের উপযুক্ত সময়। তবে এবার আশ্বিন মাসজুড়েই চারা রোপণের কাজ চলছে। ফলন ভালো হলে পরিবারের সারা বছরের চালের চাহিদা মেটানোর পাশাপাশি অতিরিক্ত ধান বাজারে বিক্রি করা সম্ভব হবে বলে আশা করছেন তিনি।
নিউ সারিয়াকান্দি চরের কৃষক কোরবান আলী বলেন, কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রকৃত কৃষকদের বীজ, সার ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হলে যমুনাপাড়ের কৃষকেরা আরও বেশি লাভবান হবেন।
ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ছামিদুল ইসলাম জানান, চলতি বছর উপজেলার সহড়াবাড়ি, বানিয়াজান, পুখুরিয়া, নিউ সারিয়াকান্দি, ভাণ্ডারবাড়ী ও ভুতবাড়ীসহ বিভিন্ন চরাঞ্চলে প্রায় ১০ হেক্টর জমিতে গাইঞ্জা ধানের চাষ হচ্ছে। আগে এসব বালুময় জমির অনেক অংশ পতিত থাকত। এখন সেখানে গাইঞ্জা ধান চাষ করে কৃষকেরা জমির সর্বোত্তম ব্যবহার করতে পারছেন। এতে তাঁদের আর্থিক সচ্ছলতা বাড়ার পাশাপাশি স্থানীয় খাদ্যচাহিদা পূরণেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে এ চাষাবাদ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৬ সিলেটের সংগ্রাম