
দিরাই প্রতিনিধি :
দিরাই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) মির্জা মোঃ আবু ছাইদকে জড়িয়ে সম্প্রতি বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত কমিশন বাণিজ্য সংক্রান্ত সংবাদকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, ভিত্তিহীন ও মানহানিকর দাবি করে প্রতিবাদ জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তর।
এক লিখিত প্রতিবাদলিপিতে জানানো হয়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর-এর অধীনে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাস্তবায়িত টিআর, কাবিখা ও কাবিটা প্রকল্পসমূহ সরকার নির্ধারিত নীতিমালা অনুসরণ করেই সম্পন্ন হয়েছে। প্রকল্প বাস্তবায়নে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কমিশন বাণিজ্যের অভিযোগ সঠিক নয় বলে দাবি করা হয়।
প্রতিবাদে আরও বলা হয়, প্রকাশিত সংবাদে যে অভিযোগ তোলা হয়েছে, তার পক্ষে সুনির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করা হয়নি। অধিকাংশ বক্তব্যই নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্রের ওপর নির্ভরশীল, যা সাংবাদিকতার নীতিমালার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়। সংশ্লিষ্ট কার্যালয়ের দাবি—প্রকল্পের বিল প্রক্রিয়াকরণ, পরিমাপ ও কাজের মান যাচাই প্রশাসনিক নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়ে থাকে।
মির্জা মোঃ আবু ছাইদ বলেন, “আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন। কোনো প্রকল্প থেকে অবৈধভাবে অর্থ গ্রহণের প্রশ্নই ওঠে না। যদি কারও কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ থাকে, তাহলে তারা লিখিতভাবে জানাতে পারেন। প্রশাসন তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করবে।”
এদিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছে, কোনো অনিয়মের বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেলে তা গুরুত্বসহকারে তদন্ত করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা পড়েনি বলে জানা গেছে।
প্রতিবাদলিপিতে সংশ্লিষ্ট সংবাদমাধ্যমকে নিরপেক্ষ অনুসন্ধান করে প্রকৃত তথ্য প্রকাশের আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার চর্চার মাধ্যমে জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি না করার অনুরোধও জানানো হয়।
স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছে, অভিযোগ ও প্রতিবাদের বিষয়টি নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে যাচাই হলে প্রকৃত পরিস্থিতি স্পষ্ট হবে। এ ঘটনায় দিরাইয়ে প্রশাসনিক কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি