
দিরাই উপজেলার রফিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহায়ক পরীক্ষার অনিয়ম ও জালিয়াতি শিরোনামের সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি কায়কোবাদ তালুকদার।
গৌতম চক্রবর্তী, নিজে অকৃতকার্য হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।
অভিযোগে গৌতম চক্রবর্তী, পরীক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন না। বলেছেন, সেখানে আগ্রহী সকল পরীক্ষার্থী অংশ গ্রহন করেছেন। তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে সাংবাদিক ভাইদের ভুল মিথ্যা বানোয়াট তথ্য দিয়ে এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করতে চাইছেন। রফিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সভাপতি কায়কোবাদ তালুকদার বলেন, আমি ও আমার পরিবার সম্পর্কে এলাকার মানুষজন অবগত। আমি অত্যান্ত সততার সহিত এ বিদ্যালয়ের সভাপতি দায়িত্ব পালন করে আসছি। এ বিদ্যালয় পরিচালনার ক্ষেত্রে আমি আমার সব কিছু বিলীন করতে সক্ষম। গত ২১ জুন যে পরীক্ষাটি অনুষ্টিত হয়েছে। তা পরিচালনা করেছেন উচ্চপদস্থ কর্মকতাগণ। পরিক্ষার ভিত্তিতে কৃতকার্য লোককে মূল্যায়ন করা হয়েছে। এখানে আমাদের কোন কিছু নেই। গৌতম চক্রবর্তী, নিজে অকৃতকার্য হয়ে আমাদের স্কুল ও আমার পরিবারের উপর মিথ্যা অপপ্রচার চালিয়েছেন। আমি ও আমার স্কুলের সম্মানহানি হয়েছে। এ সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
রফিনগর উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক ঈসমাইল হোসেন বলেন, নিয়োগ পরীক্ষায় কোন অনিয়ম হয়নি। এখানে সরকারী উচ্চপদস্থ কর্মকতা বৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। যিনি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন তাহাকে আমরা মূল্যায়ন করেছি।
গৌতম চক্রবর্তী নিজে অকৃতকার্য হয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে মিথ্যা অভিযোগে করেছে। বিয়ষটি আসলেই মিথ্যা ও বানোয়াট। আমরা তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
অভিযোগকারী গৌতম চক্রবর্তীকে একাধিক মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে তার মোবাইল বন্ধ পাওয়া যায়।