1. sylhetersangram2025@gmail.com : sylhetersangram :
লন্ডনি প্রবাসীর সাথে প্রতারণা: ভুয়া কাবিননামা মামলায় অব্যাহতির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের - sylhetersangram
৬ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৩শে জ্যৈষ্ঠ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| শনিবার| সকাল ৯:৫৮|
Title :
মাদকবিরোধী অভিযানে সাজাপ্রাপ্ত আসামি গ্রেপ্তার ছাতকের বৃহত্তর ঝিগলীতে যুবকের মৃত্যু নিয়ে ধুম্রজাল ম্যানচেস্টারে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী পালিত বর্ষীয়ান রাজনীতিবিদ তোফায়েল আহমেদ মারা গেছেন দিরাইয়ে পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধ: প্রতিবেশীর হামলায় তরুণী খুন, আহত ১ দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃ পঃ কর্মকর্তা ডাঃ শংকর চন্দ্র দাস আর আমাদের নেই। ঈদে পরিবার থেকে দূরে থাকা শিক্ষার্থীদের পাশে শাবিপ্রবি প্রশাসন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে সিলেটবাসীসহ দেশ ও বিদেশের সকল মুসলমানকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন মতো মতো মহানগর ছাত্রদল নেতা মাহমুদুল হাসান সাগর পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সাবেক ছাত্রনেতা এম সাইফ উদ্দিন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষে চরমহল্লা ইউনিয়নবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী সাজ্জাদ হোসেন তালুকদার

লন্ডনি প্রবাসীর সাথে প্রতারণা: ভুয়া কাবিননামা মামলায় অব্যাহতির বিরুদ্ধে রিভিশন দায়ের

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, মে ১৬, ২০২৬,
  • 317 Time View

​নিজস্ব প্রতিবেদক, সিলেট |

 

​সিলেটে এক লন্ডন প্রবাসী নারীর সাথে প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া কাবিননামা তৈরির ঘটনায় নতুন মোড় নিয়েছে। মামলার প্রধান আসামিদের অব্যাহতির আদেশের বিরুদ্ধে মহানগর দায়রা জজ আদালতে রিভিশন মামলা দায়ের করা হয়েছে। গত ৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে সিলেটের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট ১ম আদালতের দেওয়া অব্যাহতির আদেশ চ্যালেঞ্জ করে ভুক্তভোগী নারীর ভাই ওয়ারিছ মিয়া এই আবেদনটি করেন।

 

​ঘটনার প্রেক্ষাপট: বিশ্বাস ও জালিয়াতির অভিযোগ

 

​মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, ২০১১ সালে দক্ষিণ বালুচরের আমিনা বেগমের সাথে হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার মোঃ গাফ্ফার খান লিটনের বিয়ে হয়। বিয়ের কিছুদিন পর স্ত্রী গাফ্ফাট খান লিটন লন্ডনে নিয়ে যান। বাদীর অভিযোগ, লন্ডনে স্হায়ী বসবাসের সুযোগ পাওয়ার পর থেকেই লিটন স্ত্রীর অর্থ আত্মসাৎ শুরু করেন এবং পারিবারিক দায়িত্ব পালনে অনীহা দেখান।

 

​পরবর্তীতে মোহরানা সংক্রান্ত বিরোধ দেখা দিলে আসামিপক্ষ দাবি করে যে, তাদের বিয়ে ২০১১ সালে নয়, বরং ২০০৭ সালে সম্পন্ন হয়েছে। প্রমাণ হিসেবে তারা ৫ লক্ষ টাকা মোহরানা সম্বলিত একটি কাবিননামা উপস্থাপন করেন, যা বাদীপক্ষের দাবি অনুযায়ী সম্পূর্ণ ভুয়া ও বানোয়াট।

 

 

 

​এই জালিয়াতির ঘটনায় শাহপরাণ থানায় মামলা (জি.আর. ০৮/২৫) দায়ের করা হলে তদন্তকারী কর্মকর্তা আসামিদের অনুকূলে চূড়ান্ত রিপোর্ট (ফাইনাল রিপোর্ট) দাখিল করেন। বাদীপক্ষের তত্ত্বের ভিত্তিতে খোজ নিয়ে জানা যায় তদন্তকারী কর্মকর্তা ও আসামী পক্ষ একই এলাকার স্হায়ী বাসিন্দা বানিয়াচং হওয়াতে রিপোর্ট প্রদানে স্বজনপ্রীতি ও পক্ষ পাতিত্ত্ব করা হয়েছে বলে বাদীপক্ষ এই রিপোর্টের বিরুদ্ধে ‘নারাজি’ আবেদন করলেও আদালত মামলাটি খারিজ করে দেন। কারণ নিম্ন আদালতের পর্যবেক্ষণ ছিল—মূল ভুক্তভোগী বিদেশে থাকায় তার পক্ষে অন্য কারো মামলা চালিয়ে যাওয়ার এখতিয়ার নেই।

 

​তবে রিভিশন আবেদনে উচ্চ আদালতের বিভিন্ন নজির (যেমন: 52 DLR 2000) টেনে বলা হয়েছে, জালিয়াতি বা প্রতারণার মতো অপরাধের ক্ষেত্রে যে কেউ বাদী হতে পারেন; ভুক্তভোগীকে সশরীরে উপস্থিত থাকার আইনি বাধ্যবাধকতা নেই।

 

 

 

​মামলার বিষয়ে অভিযুক্ত গাফ্ফার খান লিটনের পরিবারের সদস্যরা জালিয়াতির অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাদের দাবি, পারিবারিক বিরোধকে কেন্দ্র করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতেই এই মামলা করা হয়েছে। উপস্থাপিত কাবিননামাটি সঠিক এবং আইন মেনেই তৈরি করা হয়েছে বলে তারা দাবি করেন।কিন্তু

​বাদী ওয়ারিছ মিয়া ক্ষোভ প্রকাশ করে গণমাধ্যমকে বলেন,২০১১সালে আমার বোন আমিনা বেগমের নিকাহনামা নোটারী পাবলিক করে গফ্ফার খান লিটনকে ইংল্যান্ডে নেওয়ার জন্য হোম অফিসে আবেদন করেন যা ঐ নিকাহনামা গ্রানটেড হয়ে গফ্ফার খান লিটন ইংল্যান্ডে পাড়ি জমান।উল্লেখিত দুটি নিকাহনামা একটি রেজিস্টেশন হয়েছে ২৮/০৬/২০১১ইং যাহা সত্য বলে প্রকাশ পায় যে ঐ নিকাহনামার মাধ্যমে গফ্ফার খান লিটন ইংল্যান্ডে আসেন ও এই নিকাহনামায় আমিনা বেগমের বয়স ০৭/০২/১৯৭৬ ইং যাহা তার বৃটিশ পাসপোর্টের সাথে মিল রেখে সঠিক হিসেবে লিখিত হয়েছে।ওপর নিকাহনামা রেজিস্টেশন দেখানো হয়েছে ২৫/০৮/২০০৭ইং যেখানে আমিনা বেগমের বয়স লিখা হয়েছে ২৬ বছর ও কুমারী কিন্তু প্রকৃত পক্ষে আমিনা বেগম কুমারী ছিলেনা তার প্রথম বিবাহিত স্বামীর ঘরে দুই সন্তানের জননী ছিলেন।গফ্ফার খান লিটনের সাথে আমিনা বেগমের দ্বিতীয় বিবাহ ছিল। ডকুমেন্ট পর্যালোচনায় সম্পূর্ণ অসত্য। আমরা চাই মামলাটি সরাসরি আমলে নেওয়া হোক অথবা পিবিআই-এর মতো কোনো নিরপেক্ষ সংস্থা দিয়ে পুনঃতদন্ত করা হোক।”

 

​বর্তমানে মামলাটি মহানগর দায়রা জজ আদালতে শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। প্রবাসী নাগরিকদের আইনি সুরক্ষা এবং জালিয়াতি রোধে এই মামলার রায় একটি দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে বলে মনে করছেন স্থানীয় আইনজীবীরা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৫ সিলেটের সংগ্রাম