1. sylhetersangram2025@gmail.com : sylhetersangram :
আশুলিয়ায় প্রবেশপত্রে ভুল: ২৮৬ শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন। - sylhetersangram
১৮ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৩রা আশ্বিন, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| শুক্রবার| রাত ১:৩৪|
Title :
শাবিপ্রবির নৃৎ -এর নতুন কমিটি গঠন, নেতৃত্বে নবমিতা-জীম শাবিপ্রবির জামালপুর এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি, নেতৃত্বে আবু হুরায়রা-সাহেল রানা শান্তিগঞ্জে প্রাথমিক শিক্ষা পদক, শ্রেষ্ঠ শিক্ষক-শিক্ষিকাদের পুরস্কৃত জাফলংয়ে সোনালী লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মৃত্যুদাবির চেক প্রদান ও দোয়া মাহফিল  সিলেটে এসে শাহজালাল (র.) মাজার জিয়ারত করলেন রাষ্ট্রপতি শাবিপ্রবির ফেনী স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি ঘোষণা, নেতৃত্বে মাহী-ইউনুস শাবিপ্রবির চোখ ফিল্ম সোসাইটির নতুন কমিটি গঠন নেতৃত্বে জিম-অমিয় শাবিপ্রবিতে শান্তর ক্যানভাস শীর্ষক চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত শিশুদের নিয়ে ইমপ্যাক্ট৩৬০-এর ‘আমার শরীর, আমার নিরাপত্তা’ কর্মসূচি নেতা নয়, সেবক হয়ে জগদল ইউনিয়নবাসীর সেবা করতে চান যুক্তরাজ্য প্রবাসী রুবেল আহমেদ

আশুলিয়ায় প্রবেশপত্রে ভুল: ২৮৬ শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন।

নাজমুল ইসলাম সাভার প্রতিনিধি :
  • Update Time : বুধবার, জুলাই ৯, ২০২৫,
  • 266 Time View

ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজ-এ ভয়াবহ অব্যবস্থাপনার কারণে ২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ২৮৬ জন পরীক্ষার্থীর। তাদের পরীক্ষার প্রবেশপত্রে গুরুতর তথ্যগত ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম, বাবার নাম, রোল নম্বর ও বিষয়ে গরমিল পাওয়া যায়। এতে করে চূড়ান্ত পরীক্ষার পূর্বমুহূর্তে শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে এই বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

মঙ্গলবার সকালে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভে অংশ নেন এবং বিদ্যালয় চত্বর ও আশপাশের সড়কে মানববন্ধন করেন। তাঁরা বলেন, “আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কেন এমন খেলো করা হলো? যারা দায়ী, তাদের বিচার চাই।”

এক অভিভাবক জানান, “আমার ছেলে একবছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখন যদি পরীক্ষা দিতে না পারে, তাহলে দায় কার? “বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বোর্ডে যোগাযোগ করেছি, সমাধানের চেষ্টা চলছে।” তবে শিক্ষার্থীরা এ বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
স্থানীয়দের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি না থাকায় এমন দুর্ভোগ বারবার ঘটে চলেছে।

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা শুধু একটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নয়, পুরো সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
২৮৬ জন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন একটি ভুলের বলি না হয় — এটাই এখন অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকদের একমাত্র দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৬ সিলেটের সংগ্রাম