1. sylhetersangram2025@gmail.com : sylhetersangram :
আশুলিয়ায় প্রবেশপত্রে ভুল: ২৮৬ শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন। - sylhetersangram
২১শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৮ই বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| মঙ্গলবার| রাত ৯:২৪|
Title :
আলোকিত জনপদ জগদল ইউনিয়ন : উন্নয়নের ভিড়ে শুধু একটি রাস্তার হাহাকার। দোয়ারাবাজারে অতিরিক্ত দামে তেল বিক্রি: ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযানে ২৫ হাজার টাকা জরিমানা উন্নয়নের ‘উভয়চর’ বিপ্লব: দিরাই-জগন্নাথপুর রুটে এখন নৌকায় চাকা ঘোরে রানা প্লাজা ধসের ১৩ বছর: ২৪ এপ্রিলকে ‘গার্মেন্টস শ্রমিক শোক দিবস’ ঘোষণার দাবি দিরাইয়ে সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে ‘মব কালচারের’ শিকার সাংবাদিক রিফাত: জামায়াত নেতার বিরুদ্ধে উসকানির অভিযোগ নিজের অ*স্ত্রে*র গু*লিতেই মা*রা গেলেন অ*স্ত্রা*গা*রের দায়িত্বে থা*কা পুলিশ সদস্য নারায়ণগঞ্জ সদরে ডাকাতির প্রস্তুতিকালে সুইচ গিয়ার, ছোরা ও রডসহ গ্রেপ্তার ৩ শান্তিগঞ্জে নিরীহ পরিবারের উপর হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন সুনামগঞ্জের চার উপজেলায় বজ্রপাতে ৫ কৃষকের মৃত্যু সব নাগরিককে সমৃদ্ধি ও স্বনির্ভরতার পথে এগিয়ে নিতে হবে: এম নাসের রহমান

আশুলিয়ায় প্রবেশপত্রে ভুল: ২৮৬ শিক্ষার্থীর এইচএসসি পরীক্ষা অনিশ্চিত, শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন।

নাজমুল ইসলাম সাভার প্রতিনিধি :
  • Update Time : বুধবার, জুলাই ৯, ২০২৫,
  • 192 Time View

ঢাকার শিল্পাঞ্চল আশুলিয়ার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আশুলিয়া স্কুল এন্ড কলেজ-এ ভয়াবহ অব্যবস্থাপনার কারণে ২০২৫ সালের উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে ২৮৬ জন পরীক্ষার্থীর। তাদের পরীক্ষার প্রবেশপত্রে গুরুতর তথ্যগত ভুল ধরা পড়েছে বলে জানা গেছে।

ঘটনার বিবরণ অনুযায়ী, বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীর নাম, বাবার নাম, রোল নম্বর ও বিষয়ে গরমিল পাওয়া যায়। এতে করে চূড়ান্ত পরীক্ষার পূর্বমুহূর্তে শিক্ষার্থীদের মাঝে চরম উদ্বেগ ও হতাশা ছড়িয়ে পড়ে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার কারণে এই বিপর্যয় সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা।

মঙ্গলবার সকালে শিক্ষার্থীরা ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভে অংশ নেন এবং বিদ্যালয় চত্বর ও আশপাশের সড়কে মানববন্ধন করেন। তাঁরা বলেন, “আমাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কেন এমন খেলো করা হলো? যারা দায়ী, তাদের বিচার চাই।”

এক অভিভাবক জানান, “আমার ছেলে একবছর ধরে প্রস্তুতি নিচ্ছে। এখন যদি পরীক্ষা দিতে না পারে, তাহলে দায় কার? “বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, “একটি প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। আমরা বোর্ডে যোগাযোগ করেছি, সমাধানের চেষ্টা চলছে।” তবে শিক্ষার্থীরা এ বক্তব্যে সন্তুষ্ট নন।

এ বিষয়ে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের কর্মকর্তারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কিছু জানায়নি।
স্থানীয়দের মতে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি না থাকায় এমন দুর্ভোগ বারবার ঘটে চলেছে।

বাংলাদেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় প্রশাসনিক দুর্বলতা এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবস্থাপনায় ঘাটতির কারণে শিক্ষার্থীরা প্রতিনিয়ত নানা সমস্যার মুখোমুখি হচ্ছে। এই ধরনের ঘটনা শুধু একটি শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নয়, পুরো সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।
২৮৬ জন শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ যেন একটি ভুলের বলি না হয় — এটাই এখন অভিভাবক, শিক্ষার্থী ও সচেতন নাগরিকদের একমাত্র দাবি।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৫ সিলেটের সংগ্রাম