
সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলা নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান প্রার্থীদের তালিকায় একাধিক পরিচিত নাম থাকলেও জগদল ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান ০৫ নং ওয়ার্ডের সদস্য মোঃ তুহিন রানা শামিম একজন পরীক্ষিত জনবান্ধব জনপ্রতিনিধি হিসেবে বিশেষভাবে আলোচনায় উঠে এসেছেন। মাঠপর্যায়ে তার সক্রিয় উপস্থিতি, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগ এবং দায়িত্বশীল ভূমিকার কারণে তিনি জনপ্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে জগদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হুমায়ুন রশিদ লাভলু কারাগারবন্দি থাকাকালীন- নিজ দায়িত্ব নিয়ে তিনি ইউনিয়ন পরিষদের সেবামূলক কার্যক্রমে গতি আনতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন। সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির সুষ্ঠু বণ্টন, ভোগান্তি কমিয়ে দ্রুত সেবা প্রদান এবং ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে তদারকি করায় স্থানীয়দের মাঝে ইতিবাচক সাড়া পড়ে।
স্থানীয় রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক শক্তি, মাঠ পর্যায়ের উপস্থিতি এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডই শেষ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। এ দিক থেকে মোঃ তুহিন রানা শামিম সাম্প্রতিক সময়ে জনসম্পৃক্ততা বাড়িয়ে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছেন বলে তারা মনে করছেন।
উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে এবং ভোটারদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তিনি সহজ-সরল ও কর্মমুখী নেতা হিসেবে পরিচিত। সাধারণ মানুষ প্রয়োজনের সময় তাকে কাছে পান—এমন মন্তব্যও করেছেন অনেকে। একাধিক ভোটার বলেন, “তুহিন রানা শামিম সব সময় মাঠে থাকেন। মানুষের কথা শোনেন এবং দ্রুত কাজ করার চেষ্টা করেন। এই কারণে তিনি অন্যদের তুলনায় এগিয়ে আছেন।”
নিজের অবস্থান সম্পর্কে মোঃ তুহিন রানা শামিম বলেন, তিনি সব সময় জনগণের কল্যাণে কাজ করে যেতে চান। জনগণের ভালোবাসা ও সমর্থনই তার সবচেয়ে বড় শক্তি। সুযোগ পেলে দিরাই উপজেলাকে একটি আধুনিক, সেবামুখী ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়নে পরিণত করতে তিনি নিরলসভাবে কাজ করবেন বলে জানান তিনি।
সব মিলিয়ে, দিরাই উপজেলা পরিষদের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের ঘিরে রাজনৈতিক সমীকরণ এখনও পরিবর্তনশীল থাকলেও তৃণমূলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ, প্রশাসনিক অভিজ্ঞতা এবং জনবান্ধব কর্মকাণ্ডের কারণে মোঃ তুহিন রানা শামিম বর্তমানে জনপ্রিয়তার দিক থেকে এগিয়ে রয়েছেন বলে মনে করছেন স্থানীয় সচেতন মহল। নির্বাচন ঘনিয়ে এলে এই সমীকরণ আরও স্পষ্ট হবে—এমনটাই প্রত্যাশা সবার।