
দিরাই থেকেঃ মোঃ বদরুজ্জামান বদরুল
সুনামগঞ্জের দিরাই–শাল্লা সড়কের আজমল সেন্টারের সামনে দুটি টিনসেট ঘরকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে একটি কথিত মিনি পতিতালয়—এমন অভিযোগে এলাকায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। দিনের পর দিন প্রকাশ্যে অসামাজিক কার্যকলাপ চললেও রহস্যজনক কারণে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো কার্যকর ব্যবস্থা দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই দুটি টিনসেট ঘরে নিয়মিত বহিরাগত যুবক ও বিভিন্ন বয়সের লোকজনের যাতায়াত লক্ষ্য করা যায়। গভীর রাত পর্যন্ত সন্দেহজনক কর্মকাণ্ড চললেও যেন দেখার কেউ নেই। এলাকাবাসীর দাবি, বহুবার মৌখিকভাবে বিষয়টি জানানো হলেও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ কার্যকর পদক্ষেপ নেয়নি।
এলাকাবাসীরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন,
ব্যস্ত সড়কের পাশে প্রকাশ্যে এমন কর্মকাণ্ড চলা দুঃখজনক। এতে এলাকার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে, বিশেষ করে যুব সমাজ নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে ধাবিত হচ্ছে।
স্থানীয় অভিভাবকদের মতে, স্কুল–কলেজগামী শিক্ষার্থী ও তরুণদের ওপর এর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। সামাজিক মূল্যবোধ ও নিরাপত্তা হুমকির মুখে পড়লেও প্রশাসনের নীরব ভূমিকা নানা প্রশ্নের জন্ম দিচ্ছে।
সচেতন মহল মনে করছেন, যদি দ্রুত তদন্ত করে দোষীদের আইনের আওতায় না আনা হয়, তাহলে দিরাই শহরের সামাজিক শৃঙ্খলা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তারা অবিলম্বে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, গোয়েন্দা নজরদারি ও নিয়মিত টহল জোরদারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের বক্তব্য জানতে একাধিকবার চেষ্টা করা হলেও কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।
এখন প্রশ্ন উঠেছে
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নাকের ডগায় এমন অভিযোগ কীভাবে দিনের পর দিন প্রশাসনের ধরা–ছোঁয়ার বাইরে থাকে? নাকি এর পেছনে রয়েছে অদৃশ্য কোনো শক্তির ছায়া?
দিরাইয়ের সচেতন নাগরিকরা দ্রুত কঠোর পদক্ষেপের মাধ্যমে যুব সমাজকে অন্ধকারের পথ থেকে ফিরিয়ে আনার জোর দাবি জানিয়েছেন।