
ময়মনসিংহ প্রতিনিধিঃ
মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে আসাই প্রকৃত মানবিকতা’এমন প্রত্যয় নিয়ে ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়া উপজেলার ২ নং পুটিজানা ইউনিয়নের অবহেলিত কালারচর গ্রামের বেহাল রাস্তা নিজস্ব অর্থায়নে সংস্কার করে দিয়েছেন সমাজসেবক রাজিব হোসাইন খান সাদ্দাম। তাঁর এমন জনকল্যাণমূলক উদ্যোগে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগ থেকে স্বস্তি ফিরেছে স্থানীয় বাসিন্দাদের মাঝে।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) সকালে নিজস্ব অর্থায়নে রাস্তাটির সংস্কারকাজ সম্পন্ন করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটির বেহাল অবস্থার কারণে গ্রামবাসীকে চলাচলে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছিল। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে কাদা-পানি ও অসংখ্য খানাখন্দের কারণে শিক্ষার্থী, কৃষক, নারী-শিশুসহ সাধারণ মানুষের যাতায়াত প্রায় অসম্ভব হয়ে পড়েছিল।
স্থানীয় মানুষের এই দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে সরকারি বরাদ্দ কিংবা জনপ্রতিনিধিদের অপেক্ষায় না থেকে ব্যক্তিগত উদ্যোগে রাস্তাটি সংস্কারের ব্যবস্থা করেন পুটিজানা ইউনিয়ন উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি ও সমাজসেবক রাজিব হোসাইন খান সাদ্দাম।
এলাকাবাসী জানান, দীর্ঘদিনের ভোগান্তির অবসানে রাস্তাটি সংস্কার হওয়ায় তাঁরা অত্যন্ত আনন্দিত। বিশেষ করে দৈনন্দিন যাতায়াত, কৃষিপণ্য পরিবহন ও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যাতায়াতে এখন অনেকটাই স্বস্তি ফিরে আসবে। মানুষের প্রয়োজনে এভাবে ব্যক্তিগত উদ্যোগে এগিয়ে আসায় তাঁরা সাদ্দামের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে রাজিব হোসাইন খান সাদ্দাম বলেন, পুটিজানা ইউনিয়নের মানুষের উন্নয়ন ও কল্যাণে আমি সবসময় পাশে থাকতে চাই। দল-মত, ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে পুটিজানার প্রতিটি মানুষের সুখে দুঃখে পাশে আছি, ভবিষ্যতেও থাকব। ইউনিয়নের যেকোনো সমস্যা ও জনদুর্ভোগে নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেব। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত পুটিজানার মানুষের পাশে থাকতে চাই। মানুষের ভালোবাসা ও দোয়া নিয়েই আমার পথচলা।
স্থানীয় একাধিক সমাজসেবী ও সচেতন ব্যক্তি বলেন, রাজিব হোসাইন খান সাদ্দাম শুধু কথায় নয়, কাজের মাধ্যমেও মানুষের পাশে থাকার চেষ্টা করছেন। তিনি পুটিজানার একজন পরিচিত ও জনবান্ধব মুখ। আমরা তাঁকে পুটিজানার একজন আইকন হিসেবে দেখি। তাঁর মতো সমাজসেবামূলক মানসিকতা নিয়ে আরও মানুষ এগিয়ে এলে এলাকার উন্নয়ন অনেক দূর এগিয়ে যাবে।
তাঁরা আরও বলেন, একটি রাস্তা সংস্কার হয়তো বিশাল কোনো উন্নয়ন প্রকল্প নয়, কিন্তু এই উদ্যোগের সুফল ভোগ করবেন গ্রামের অসংখ্য মানুষ। মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং জনদুর্ভোগ লাঘবের এমন উদ্যোগ সমাজে ইতিবাচক দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
সামাজিক বার্তা: উন্নয়ন শুধু প্রতিশ্রুতিতে নয়, মানুষের প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানোর মধ্য দিয়েই বাস্তবায়িত হয়। আসুন, নিজ নিজ সামর্থ্য ও অবস্থান থেকে মানুষের কল্যাণে এগিয়ে আসি।