
নিজস্ব প্রতিবেদক:
আসন্ন ৭নং জগদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী রুবেল আহমেদের দেশে ফেরা ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক ও সামাজিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। দীর্ঘদিন লন্ডনে অবস্থানের পর আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর দেশে ফিরছেন তিনি।
রুবেল আহমেদের দেশে ফেরার খবরে তার সমর্থক, শুভাকাঙ্ক্ষী ও অনুসারীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা। দেশে ফেরার পর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার মানুষের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ, মতবিনিময় ও সৌজন্য সাক্ষাৎ করার প্রস্তুতি রয়েছে বলে তার ঘনিষ্ঠজনদের সূত্রে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, প্রবাসে অবস্থান করলেও রুবেল আহমেদ নিয়মিত নিজ এলাকার মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রাখেন। কয়েক মাস পরপর দেশে এসে তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামের মানুষের খোঁজখবর নেন এবং সামাজিক ও জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণ করেন।
এছাড়া এলাকার বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ও সহযোগিতামূলক কর্মকাণ্ড রয়েছে বলেও জানা গেছে। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে তিনি স্থানীয় মানুষের কাছে নিজের একটি গ্রহণযোগ্য অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন বলে দাবি করছেন তার সমর্থকরা।
সমর্থকদের ভাষ্য, শুধু নির্বাচনে জয়লাভ নয়—ইউনিয়নের মানুষের পাশে থেকে দীর্ঘমেয়াদে কাজ করার লক্ষ্য নিয়েই রুবেল আহমেদ নির্বাচনী মাঠে আসতে চান। শিক্ষা, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, তরুণদের সম্পৃক্ততা এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকাণ্ডকে অগ্রাধিকার দিয়ে একটি উন্নত ও জনবান্ধব ইউনিয়ন গড়ার প্রত্যয় রয়েছে তার।
রুবেল আহমেদের ঘনিষ্ঠজনদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, দেশে ফেরার পর তিনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও পাড়া-মহল্লায় গিয়ে সাধারণ মানুষের সঙ্গে মতবিনিময় করতে পারেন।
স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি, তরুণ সমাজ, শিক্ষক, ব্যবসায়ী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে কথা বলে তাদের প্রত্যাশা, সমস্যা ও সম্ভাবনার বিষয়গুলো জানার চেষ্টা করবেন তিনি।
তার ঘনিষ্ঠরা বলছেন, এলাকার মানুষের কথা সরাসরি শুনে তাদের প্রত্যাশার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সাজাতে চান রুবেল আহমেদ।
আসন্ন জগদল ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে ইতোমধ্যে সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। চায়ের দোকান থেকে শুরু করে বিভিন্ন সামাজিক আড্ডায় চলছে প্রার্থীদের জনপ্রিয়তা, জনসম্পৃক্ততা ও সাংগঠনিক অবস্থান নিয়ে নানা আলোচনা।
কার গ্রহণযোগ্যতা কতটা, কে শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের মাঠে থাকবেন এবং সাধারণ ভোটারদের সমর্থন কার দিকে—এসব বিষয় নিয়েই চলছে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও হিসাব-নিকাশ।
এমন পরিস্থিতিতে রুবেল আহমেদের দেশে ফেরাকে গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখছেন তার সমর্থকরা। তাদের ধারণা, দেশে ফিরে তিনি সক্রিয়ভাবে মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করলে নির্বাচনী মাঠে তার অবস্থান আরও দৃশ্যমান হবে।
রুবেল আহমেদের দেশে ফেরার দিনকে কেন্দ্র করে তার শুভাকাঙ্ক্ষী ও সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দেশে ফেরার পর তাকে স্বাগত জানানো, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে সাক্ষাৎ এবং মতবিনিময়ের মতো কর্মসূচি হতে পারে বলে জানা গেছে।
স্থানীয় পর্যবেক্ষকদের মতে, নির্বাচনের আগে একজন সম্ভাব্য প্রার্থীর জনসম্পৃক্ততা, সামাজিক কর্মকাণ্ড ও মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ তার অবস্থান তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। রুবেল আহমেদের ক্ষেত্রেও দেশে ফেরার পর তার কর্মকাণ্ড ও মানুষের সঙ্গে যোগাযোগের ধরনই আগামী দিনে তার অবস্থান সম্পর্কে একটি স্পষ্ট ধারণা দিতে পারে।
সব মিলিয়ে ১৩ সেপ্টেম্বর রুবেল আহমেদের দেশে ফেরাকে ঘিরে ৭নং জগদল ইউনিয়নের নির্বাচনী অঙ্গনে নতুন করে সরব আলোচনা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এখন দেখার বিষয়—দেশে ফিরে তিনি কতটা সক্রিয় হন, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশাকে কীভাবে নিজের পরিকল্পনায় যুক্ত করেন এবং আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে তার অবস্থান কতটা শক্তিশালী করে তুলতে পারেন।