
নিজস্ব প্রতিবেদক :
ভালো কাজের সন্ধানে মানুষকে বিদেশে পাঠানোর কথা তার। সে জন্য সাধারণ মানুষকে প্রলুব্ধ করে উচ্চ বেতনে কাজের সুযোগ বিশ্বাসযোগ্যতার প্রমাণ করতে হাতে ধরিয়ে দেয়া হয় চাকরির ভুয়া, ভিসা নিয়োগপত্রও। কিন্তু এসব কিছুর পেছনে একটাই উদ্দেশ্য- টাকা হাতিয়ে নেয়া। এভাবে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে বিদেশ লোক পাঠানোর নামে করেছেন তাড়াশে মানিক। তিনি কোটি টাকা আত্মসাৎ করে একজনকেও বিদেশে পাঠাতে পারেননি।।
তুফায়েল আহমেদ বাড়ি সিলেট জেলার বিশ্বনাথ উপজেলার আমতলী বাজার এলাকার বাসিন্দা তাকে সৌদি-আরবে পাঠানো কথা বলে ৫ লাখ টাকা নিয়েছে মানিক। ভুয়া পাসপোর্ট, কোর্সের ভুয়া সনদ, ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট দিয়েছে। অবশেষে সাংবাদিকদের জানান তুফায়েল আহমেদ বিশ্বনাথ থানায় মানিকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন ঈদের পর ।
দিরাই উপজেলার নোয়াগাও গ্রামের মনোরঞ্জন দাস তালুকদারের ছেলে জনিক দাসকে মোটা বেতনের লোভ দেখিয়ে বিদেশে ভালো কাজের আশ্বাসে প্রায় ৬ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে মানিক ওরফে কালা মানিক । তাকে একইভাবে ভুয়া ভিসা, ভুয়া ওয়ার্ক পারমিট, ভুয়া বিমানের টিকিট হাতে ধরিয়ে দিয়েছেন সেই প্রতারক চক্রের গড ফাদার কালো মানিক।
দিরাই উপজেলার জগদল গ্রামের ফাহিম’কে সৌদি আরবে পাঠানো নাম করে ধাপে ধাপে ৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক কালো মানিক এমনকি ফাহিম আশ্বাস দিয়ে ঢাকায় একাধিকবার নিয়েছেন বলে জানান ফাহিম।
একইভাবে বিশ্বনাথ উপজেলা আমতলী গ্রামের শামসুল আলমের ছেলে তুফায়েল আহমেদকে বিদেশে পাঠানোর নামে প্রায় ৬-৭ লাখ টাকা নিয়েছে প্রতারক কালো মানিক।
একইভাবে জনিক, ফাহিম , তুফায়েল আহমেদ টনিক দাশ, বিভিন্ন দেশের ভুয়া ম্যান পাওয়ার, অগ্র নারায়ন দাস অসীম, প্রিয়া মহনদাসকে জালিয়াতি করে ভুয়া বিমানের টিকিট হাতে ধরিয়ে দিয়েছেন। পরে বিমান বন্দরে গিয়ে জানতে পারে এগুলো ভুয়া।
এ ব্যাপারে মানবপাচারকারীদের গড ফাদার প্রতারক চক্রের মানিক একাধিকবার মোটুফোনে কলে পাওয়া যায় নি।
এ বিষয়ে বিশ্বনাথ থানার ওসি বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ করেন আমি তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া।