1. muftiabutahermisbah@gmail.com : Abu Taher : Abu Taher
  2. sylhetersangram2025@gmail.com : sylhetersangram :
সাতক্ষীরায় মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌ*ন নি*পী*ড়ন ও কা-ম-ড়ে দেওয়ার অভিযোগ, ‘ক্ষমার’ গুঞ্জন - sylhetersangram
২৭শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১১ই কার্তিক, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| হেমন্তকাল| মঙ্গলবার| সকাল ৬:৩৫|
Title :
হাজীগঞ্জের কালচোঁ দক্ষিণ ইউনিয়নে চেয়ারম্যান প্রার্থী আরিফুর রহমানের নির্বাচনী প্রস্তুতি সভায় জনসমুদ্র ঈশ্বরদীতে বালু ব্যবসা নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ, মানববন্ধন ঘিরে বিতর্ক অবৈধ বালু উত্তোলন ও চাঁদাবাজির অভিযোগ, অস্বীকার অভিযুক্তদের নোয়াখালীর হাতিয়ায় শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা বিপুল পরিমাণ অবৈধ পামওয়েল জব্দ। ভাঙ্গুড়ার শুঁটকি শিল্পে সংকট: দেশি মাছের অভাবে অস্তিত্ব হারানোর পথে ঐতিহ্য হাজীগঞ্জে বিপুল পরিমানে নিষিদ্ধ জাল ও বস্তু জব্দ দুই কর্মীকে তাৎক্ষণিক বহিষ্কার, তারপরও কেন বিতর্কের কেন্দ্রে মেহমান রেস্টুরেন্ট? কাকতালীয়, নাকি পরিকল্পিত? জামালগঞ্জে সচেতনতামূলক সভায় হট্টগোল, ‘ডেভিল চেয়ারম্যান’ মন্তব্যে তীব্র প্রতিবাদ চেয়ারম্যানদের বসার স্থান নিয়ে শুরু বিতর্ক, বিএনপি নেতার বক্তব্যে উত্তেজনা; পরে পরিস্থিতি শান্ত দিরাইয়ের ওসি আমিনুল ইসলামের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে মূল্যায়নের আহ্বান জামালগঞ্জ উত্তর ইউনিয়নে কামাল হোসেনের পক্ষে শতাধিক মোটরসাইকেলের শোডাউন। পত্নীতলার জামালপুর গ্রাম পেল জাতিসংঘের সম্মিলিত আবাসন উদ্যোগের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

সাতক্ষীরায় মাদ্রাসা সুপারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌ*ন নি*পী*ড়ন ও কা-ম-ড়ে দেওয়ার অভিযোগ, ‘ক্ষমার’ গুঞ্জন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২২, ২০২৬,
  • 42 Time View

 

সাতক্ষীরা প্রতিনিধিঃঃ

সাতক্ষীরা সদর উপজেলার ১৪ নম্বর ফিংড়ি ইউনিয়নের গাভা এলাকায় অবস্থিত ‘গাভা দাখিল মাদ্রাসা’র সুপার মাওলানা আজাদুল ইসলামের বিরুদ্ধে ওই মাদ্রাসার এক ছাত্রীকে যৌন নিপীড়ন, গালে কামড় দেওয়া ও জোরপূর্বক শ্লীলতাহানির মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। ২২ অক্টোবর (বৃহস্পতিবার) সকালে মাদ্রাসার ভেতরে এই ঘটনা ঘটে।
ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত সুপার ও স্থানীয় বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সাতক্ষীরা সদর উপজেলা শাখার নায়েবে আমীর মাওলানা আজাদুল ইসলাম আত্মগোপনে রয়েছেন। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে তাকে নিজের অপরাধ স্বীকার করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে, এত বড় অপরাধের পরও মাদ্রাসা পরিচালনা পর্ষদ ও সহকর্মীদের একাংশ তাকে বিচার না করে ‘ক্ষমা’ করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ছাত্রী মারিয়া জানায়, ২২ অক্টোবর সকালে সে মাদ্রাসার একতলায় অবস্থান করছিল। সহপাঠী সাদিয়া খাবার কিনতে গেলে সে একা ছিল। এ সময় সুযোগ বুঝে মাদ্রাসা সুপার তাকে নিজের কক্ষে ডাকেন। এরপর তার মুখ চেপে ধরে গালে কামড় দেন ও জোরপূর্বক চুমু খান।
শিক্ষার্থী আরও অভিযোগ করে, এরপর তাকে হাত ধরে টেনে সিড়ি দিয়ে তিন তলার নির্জন কক্ষে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এর আগেও বিভিন্ন সময় বাথরুমে যাওয়া কিংবা একা পাওয়ার সুযোগে অভিযুক্ত সুপার তাকে অফিস কক্ষে ডেকে নিয়ে শরীর স্পর্শ করা, পা টেকানোসহ বিভিন্নভাবে যৌন নির্যাতন চালিয়ে আসছিলেন। ঘটনার দিন মাদ্রাসা থেকে পালিয়ে সে বাসায় গিয়ে তার মাকে গালে কামড়ে দেওয়ার দাগ ও যন্ত্রণার কথা জানায়।
ভুক্তভোগীর মা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দুপুরের দিকে রান্না করার সময় মেয়ে এসে কান্নাকাটি করে পুরো ঘটনা বলে। আমি নিজের চোখে মেয়ের মুখে কামড়ের স্পষ্ট দাগ দেখেছি। এর আগেও মেয়ে মাদ্রাসায় যেতে চাইত না, আমরা কারণ বুঝিনি। এই ধরনের কামুক ও চরিত্রহীন হুজুরকে মাদ্রাসায় রাখা নিরাপদ নয়। দরকার হলে মেয়েকে অন্য মাদ্রাসায় ভর্তি করাব, কিন্তু এর বিচার চাই।”
ভুক্তভোগীর বাবা জানান, তিনি কাজের প্রয়োজনে বাইরে থাকায় বিষয়টি প্রথমে জানতেন না। পরে এসে স্ত্রী ও মেয়ের কাছে বিস্তারিত শুনেছেন এবং তারা এর কঠোর বিচার চান।
ঘটনার সত্যতা জানতে অভিযুক্ত সুপার মাওলানা আজাদুল ইসলামের ব্যক্তিগত মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। কখনো তিনি ফোন কেটে দেন, আবার কখনো কল এড়িয়ে যান।
তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যায়, অভিযুক্ত সুপার নিজের মুখে শিকার করছেন— “আমি যা করেছি অন্যায় করেছি, এই কাজটি করা আমার ঠিক হয়নি।”
একই ভিডিওতে মাদ্রাসার অন্যান্য শিক্ষকদের একাংশকে বলতে শোনা যায়, “তিনি নিজের মুখে অপরাধ স্বীকার করেছেন, তাই তাকে আমরা মাফ করে দিই। যত বড় অপরাধই করুক না কেন, আমরা তাকে ক্ষমা করে দেব।” অপরাধের এমন স্বীকারোক্তির পরও কোনো আইনি ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি ধামাচাপ দেওয়ার এমন চেষ্টায় ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দা ও অভিভাবক মহল।
স্থানীয় সচেতন মহল ও সাধারণ অভিভাবকরা অবিলম্বে এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে অভিযুক্ত সুপার মাওলানা আজাদুল ইসলামকে গ্রেপ্তার এবং কঠোর শাস্তির দাবি জানিয়েছেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিক্ষার্থী এমন নির্যাতনের শিকার না হয়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৬ সিলেটের সংগ্রাম