1. sylhetersangram2025@gmail.com : sylhetersangram :
ঘুরছে ফ্যান, খোলা জানালায় ভেতরে ঢুকছে পানি, বন্ধ স্কুলেই সরকারি সম্পদের ক্ষতি - sylhetersangram
১২ই সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৮শে ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| শনিবার| সন্ধ্যা ৭:৪৬|
Title :
সংবাদ থেকে মানবসেবা: দিরাই প্রেসক্লাবের যাত্রায় অসহায়দের মুখে খাবার গোয়াইনঘাট প্রবাসী সমাজকল্যাণ পরিষদ কেন্দ্রীয় আহবায়ক কমিটির আর্থিক অনুদান প্রদান সুনামগঞ্জের নোয়াপাড়া গ্রামে পুলিশের অভিযানে ছয়লাখ টাকার ভারতীয় মদ বিড়িসহ আটক ১ জাতিসংঘ মিলেনিয়াম ফেলোশিপ পেলেন শাবিপ্রবির ২৫ শিক্ষার্থী  ওল্ডহ্যামে ০৭নং জগদল ইউনিয়ন নির্বাচনের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রুবেল আহমদ’র দিরাই প্রবাসী কল্যাণ পরিষদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা। ‎ আশুলিয়ায় এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ের ড্রেন কেটে অবৈধ সংযোগ, সংবাদ সংগ্রহে গিয়ে সাংবাদিকদের ওপর হামলার চেষ্টা। দাউদপুর ইউপি নির্বাচন: জনপ্রিয়তার শীর্ষে তরুণ প্রজন্মের আইকন এডভোকেট ছালেহ আহমদ দিরাইয়ে মর্নিং ফুটবল টিমের মাদকবিরোধী র‍্যালি ও সভা জাফলংয়ে ১০ ড্রেজার-৬ এক্সকেভেটরসহ বিপুল সরঞ্জাম ধ্বংস বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদি মহিলা দলের ৪৮ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে সুনামগঞ্জে বর্ণ্যাঢ্য র‍্যালী ও পথসভা অনুষ্ঠিত

ঘুরছে ফ্যান, খোলা জানালায় ভেতরে ঢুকছে পানি, বন্ধ স্কুলেই সরকারি সম্পদের ক্ষতি

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, আগস্ট ৩০, ২০২৬,
  • 105 Time View

 

​মোঃ রেজাউল করিম, শান্তিগঞ্জ, সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি

​বৃহস্পতিবার থেকে রবিবার পর্যন্ত বিদ্যুৎ অপচয় ও সরকারি সম্পদের ক্ষতির অভিযোগ, দায়িত্বশীলদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন
​দেশে বিদ্যুতের সংকট ও লোডশেডিংয়ের চাপের মধ্যে সরকারি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে দিনের পর দিন বৈদ্যুতিক ফ্যান চলার এবং অবহেলায় প্রাতিষ্ঠানিক সম্পদ নষ্ট হওয়ার তীব্র অভিযোগ উঠেছে। সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার পাথারিয়া ইউনিয়নের আহমদাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বিদ্যালয় ছুটির পর ফ্যান বন্ধ না করে চলে যাওয়া এবং জানালা খোলা রেখে আসার ঘটনায় সরকারি সম্পদের অপচয় ও চরম দায়িত্বহীনতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
​২৬ আগস্ট মঙ্গলবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে ছিল এক দিনের ছুটি। ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার ছুটি শেষে দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মতো আহমদাবাদ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও খোলা হয়। ওই দিন বিদ্যালয়ের কার্যক্রম শেষে শ্রেণিকক্ষের ফ্যান বন্ধ করার কথা থাকলেও অভিযোগে জানা যায়, একটি ফ্যানের সুইচ বন্ধ করা হয়নি।
​শুধু বিদ্যুতের অপচয়ই নয়, চরম অবহেলার চিত্র ফুটে উঠেছে বিদ্যালয়ের নিরাপত্তা ও রক্ষণাবেক্ষণেও। অভিযোগ রয়েছে, বিদ্যালয় ছুটির সময় শ্রেণিকক্ষের জানালাগুলো যথাযথভাবে বন্ধ করা হয়নি। ফলে গত কয়েকদিনের ঝোড়ো পুবাল বাতাসে খোলা জানালা দিয়ে অঝোর ধারায় বৃষ্টির পানি সরাসরি শ্রেণিকক্ষের ভেতর প্রবেশ করেছে। এতে শ্রেণিকক্ষের আসবাবপত্র, বেঞ্চ এবং প্রয়োজনীয় শিক্ষাউপকরণ ভিজে নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়েছে।
​এরপর ২৮ ও ২৯ আগস্ট শুক্র ও শনিবার ছিল সাপ্তাহিক ছুটি। স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ এই ছুটির সময়েও একদিকে অবিরত ফ্যান চলেছে, অন্যদিকে খোলা জানালা দিয়ে ভেতরে বাতাস ও পানি ঢুকেছে। ৩০ আগস্ট রবিবার রাত ১২টার দিকে ধারণ করা ভিডিওতে ফ্যানটি চলমান অবস্থায় এবং অবহেলার চিত্র দেখা গেছে বলে দাবি করা হচ্ছে।
​অভিযোগ সত্য হলে ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার থেকে ৩০ আগস্ট রবিবার রাত পর্যন্ত দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি বিদ্যুৎ ও সম্পদের মারাত্মক অপচয় হয়েছে।
​ফ্যান ও জানালা বন্ধের দায়িত্ব কার।
​বিদ্যালয় ছুটির পর বৈদ্যুতিক ফ্যান, লাইট বন্ধ করা এবং দরজা-জানালা সঠিকভাবে লক করার দায়িত্ব প্রধান শিক্ষক ও দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মচারীর।
​বৃহস্পতিবার ছুটির আগে দায়িত্বপ্রাপ্ত কেউ শ্রেণিকক্ষ পরিদর্শন করেছিলেন কি না। পরিদর্শন করে থাকলে ফ্যান চালু রইল কীভাবে এবং জানালা খোলা রইল কীভাবে।
​দুই দিনের সাপ্তাহিক ছুটিতে (২৮ ও ২৯ আগস্ট) বিদ্যুৎ অপচয় ও জানালা দিয়ে পানি ঢোকার মতো বিষয় তদারকি করতে কোনো দায়িত্বশীল ব্যক্তি কেন বিদ্যালয়ে যাননি।
​সভাপতি, ব্যবস্থাপনা কমিটি ও শিক্ষা অফিসের ভূমিকা
একটি ফ্যান টানা চলা হয়তো বড় অঙ্কের বিদ্যুৎ বিল বাড়াবে না, কিন্তু খোলা জানালা দিয়ে বৃষ্টির পানি ঢুকে আসবাবপত্র নষ্ট হওয়া এবং সরকারি সম্পদের প্রতি এমন উদাসীনতা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জনগণের ট্যাক্সের টাকায় পরিচালিত প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক, বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসের নিয়মিত তদারকি ব্যবস্থা কেন ব্যর্থ হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন অভিভাবক ও সচেতন মহল।
​ফ্যান চলবে, বৃষ্টির পানিতে সরকারি সম্পদ নষ্ট হবে, বিদ্যুৎ বিল দেবে জনগণ, আর দায়িত্বের প্রশ্নে সবাই নীরব থাকবে, সরকারি প্রতিষ্ঠানে এই সংস্কৃতি কতদিন চলবে।
​৩০ আগস্ট রবিবার রাতের ভিডিও ধারণ ও স্থানীয়দের অভিযোগ দ্রুত প্রশাসনিক তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা এবং এ ঘটনায় সরাসরি দায়িত্বে অবহেলায় যুক্ত শিক্ষক বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে কঠোর জবাবদিহি নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন শান্তিগঞ্জের সুশীল সমাজ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৬ সিলেটের সংগ্রাম