
বিশেষ প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার ০৩ নং বহুলী ইউনিয়নের ০৬ নং ওয়ার্ডের ঐতিহ্যবাহী ডুমুর ইছা গ্রামে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র এবং ঐতিহাসিক দ্বিতীয় মসজিদ আল-আকসা মসজিদের নামে নাম করণ করে ” আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদ ও মাদ্রাসা ” নির্মাণ হতে যাচ্ছে।
আল-আকসা কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের প্রধান উদ্যোক্তা, আহবায়ক এবং সার্বিক ব্যবস্থাপক মো ইয়াকুব আলী তালুকদার বলেন পৃথিবীর শ্রেষ্ঠ ও পবিত্র এবং পৃথিবীর দ্বিতীয় ঐতিহাসিক মসজিদের নামের সাথে মিল রেখেই এই মসজিদের নামকরণ করা হয়েছে। এই মসজিদটি মহান আল্লাহর কাছে অনেক প্রিয় তাই আল্লাহর সন্তুুষ্টি অর্জনের জন্য এবং মুসলিম উম্মাহর উন্মুক্ত ইবাদতের জন্যই আমাদের এই উদ্যোগ। কালের বিবর্তনে ফিলিস্তিনের আল-আকসা মসজিদটি যদি কখনো বিলুপ্ত বা হারিয়ে গেলেও বাংলাদেশের সিরাজগঞ্জ জেলার ডুমুর ইছা গ্রামের মতো জায়গায় এই নামে একটি মসজিদ থেকে যাবে ইনশা আল্লাহ। স্বয়ং মহান আল্লাহর দেওয়া প্রিয় এই নাম হওয়ায় মূলত এই নামটি রাখা হয়েছে বলে তিনি জানান।
রবিবার (১১ অক্টোবর) মো ইয়াকুব আলী তালুকদার বলেন আমি ও আমার চাচাতো ভাই মো আইয়ুব আলী তালুকদার এবং মো লিখন আলী তালুকদার এর নিজস্ব যৌথ অর্থায়নে মসজিদ ও মাদ্রাসা নির্মাণের জন্য ভূমি ক্রয় করা হয়েছে এবং গত ২২ মে আনুষ্ঠানিকভাবে মসজিদের ভিত্তি স্থাপন করা হয়েছে ও সাইনবোর্ড লাগানো হয়েছে এবং গত ২১ জুন মাটি ভরাটের কাজ চালু করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন এখানে আমরা আরও বেশ কিছু জমি ক্রয়ের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছি যাতে ” আল-আকসা কেন্দ্রীয় মসজিদ কমপ্লেক্স ” এর পাশাপাশি একটি আধুনিক মাদ্রাসা কমপ্লেক্স, একটি আধুনিক মক্তব, একটি বৃহত্তর ঈদগাঁ মাঠ, একটি সমাজ সেবামূলক সামাজিক সংগঠন (ফাউন্ডেশন), একটি আধুনিক ইসলামিক স্কুল, যুব ও বয়স্ক ক্লাব, একটি শালিসী হল রুম ও মাঠ নির্মাণ, একটি খেলার মাঠসহ আরও নানা সেবা মূলক এবং ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান নির্মাণ করার পরিকল্পনা রয়েছে।
একটি জাতিকে , একটি সমাজকে, একটি দেশকে সঠিক পথে ফিরিয়ে আনতে এবং উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডের কেন্দ্র বিন্দুতে পরিণত করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করা হবে ইনশা আল্লাহ। সামাজিক ও অর্থনৈতিক এবং মানবিক পরিবর্তন আনার জন্য এই সকল প্রতিষ্ঠানের বিকল্প নেই। তিনি আরও বলেন আসুন আমরা সকল ভেদাভেদ ভুলে মানুষ হিসেবে মানবিক হই।