
সারাদেশে হত্যাকান্ড, চাঁদাবাজি, দখলদারি, হামলা ও খুনের প্রতিবাদে ফরিদপুরে বিক্ষোভ মিছিল ও সংক্ষিপ্ত পথসভা করেছে ছাত্র জনতা।
ফরিদপুর বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উদ্যোগ,(১২ জুলাই) শনিবার বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে এক বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহবায়ক কাজী রিয়াজের সভাপতিত্বে, এসময় বক্তব্য রাখেন, সদস্য সচিব সোহেল রানা,
বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জনি বিশ্বাস প্রমুখ।
এ সময় বক্তারা, চাঁদাবাজদের হাতে ঢাকার মিডফোর্ডে নিহত হওয়া ভাঙ্গারি ব্যবসায়ী সোহাগ হত্যার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেন। তারা বলেন, একটি মহল পরিকল্পিতভাবে দেশে বিভিন্ন ধরনের অরাজকতা, সন্ত্রাসী, হত্যা চাঁদাবাজি রাহাজানির মত ঘটনা ঘটিয়ে যাচ্ছে। এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। ছাত্র জনতা গত ৫ ই আগস্ট স্বৈরাচারী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ থেকে বিতাড়িত করা হয়েছে। দেশে সংগঠিত প্রত্যেকটা বিচারের জন্য অন্তবতী কালীন সরকারের হস্তক্ষেপের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, দিন দিন দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি খারাপ হয়ে উঠছে , দেশে খুন ধর্ষণ রাহাজানি রাজনৈতিক সংঘর্ষ বেড়ে চলছেই।
এর দায়ভার প্রত্যেকটা রাজনৈতিক দলকেই নিতে হবে। এভাবে একটা দেশ চলতে পারে না। বক্তারা বলেন, ৫ ই আগস্ট এর পূর্বে ছাত্র জনতা মাঠে ছিল এখনো ছাত্র জনতা মাঠে আছে এবং ভবিষ্যতে থাকবে। দেশের পরিস্থিতি খারাপ হলে আবারও পূর্বের মতো ছাত্র জনতা তা প্রতিহত করবে বলে হুশিয়ারী দেয় তারা। এখনো বাংলাদেশকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে দেশের পরিস্থিতি দিন দিন ভয়াবহ অবস্থা ধারণ করবে। এভাবে চলতে দেয়া যাবে না। সারাদেশে কোন চাঁদাবাজ সন্ত্রাস মস্তান থাকতে পারবেনা। তাদেরকে কঠিন ভাবে নির্মূল করা হবে। বক্তারা, সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হবার আহ্বান জানান। বক্তারা আরোও বলেন, নিহত ব্যবসায়ী সোহাগের হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত সকলকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করেন।
এর আগে শহরের সরকারি রাজেন্দ্র কলেজ থেকে একটি মিছিল শহর প্রদক্ষিণ করে। এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।