1. sylhetersangram2025@gmail.com : sylhetersangram :
লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে ১৮ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু: দিরাইয়ের ৪ যুবকসহ শোকের ছায়া - sylhetersangram
৬ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২২শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বৃহস্পতিবার| বিকাল ৪:২০|
Title :
শিক্ষা অনুরাগী নুরুল ইসলাম ও আব্দুল গফুর স্কুল এন্ড কলেজ দৈনিক সিলেট, এর বিশেষ প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ, হিসেবে নিয়োগ পেলেন দিরাইয়ের সাংবাদিক বদরুল শাবিপ্রবিতে বাংলা বিভাগের প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের নিবন্ধন শুরু শাবিপ্রবিতে স্বপ্নোত্থানের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম সিলেট রেঞ্জের ‘শ্রেষ্ঠ ওসি’ নির্বাচিত দিরাইয়ে সীমান্তিক এনজিওর উদ্যোগে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় চ্যারিটি রান, হস্তান্তর ৬০ হাজার টাকা সাস্ট এসপিই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের আয়োজনে ‘PetroX-2026’ অনুষ্ঠিত এক যুগ পূর্তি উদযাপন করল পুসাব, উদ্বোধন হলো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট রাজনগরে স্কুলছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার

লিবিয়া থেকে গ্রিস যাওয়ার পথে ১৮ অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু: দিরাইয়ের ৪ যুবকসহ শোকের ছায়া

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২৬,
  • 226 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক দিরাই :

 

 

লিবিয়া থেকে সমুদ্রপথে গ্রিস যাওয়ার পথে ভূমধ্যসাগরে ট্রলারে খাদ্য ও পানির তীব্র সংকটে ভুগে অন্তত ১৮ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীর করুণ মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিহতদের মধ্যে সুনামগঞ্জের দিরাই উপজেলার চার যুবক রয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

নিহতরা হলেন— দিরাই উপজেলার তারাপাশা গ্রামের আবু সর্দারের ছেলে মোঃ নুরুজ্জামান সর্দার ময়না (৩০), একই গ্রামের মৃত ক্বারী ইসলাম উদ্দীনের ছেলে মোঃ সাহান ও আব্দুল গণির ছেলে মোঃ সাজিদুর রহমান (২৮) এবং রনারচর গ্রামের মুজিবুর রহমান (৪০)।

 

পারিবারিক ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উন্নত জীবনের আশায় দালালের মাধ্যমে লিবিয়া হয়ে ট্রলারে করে গ্রিসের পথে রওয়ানা হয়েছিলেন তারা। সমুদ্রের মাঝপথে তাদের বহনকারী নৌকাটিতে খাদ্য ও পানীয় জলের তীব্র সংকট দেখা দেয়। দীর্ঘ কয়েক দিন অনাহারে ও পিপাসায় কাতর হয়ে তারা মাঝপথেই প্রাণ হারান। বর্তমানে গ্রিসের একটি শরণার্থী ক্যাম্পে থাকা একই এলাকার এক সহযাত্রী মোবাইল ফোনের মাধ্যমে এই ভয়াবহ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, চোখের সামনেই সঙ্গীদের মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে দেখেছেন তারা। প্রাণহীন দেহগুলো রাখার কোনো ব্যবস্থা না থাকায় আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী অথবা নিরুপায় হয়ে মরদেহগুলো সাগরে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছে।

এদিকে, এই খবর এলাকায় পৌঁছানোর পর নিহতের স্বজনদের কান্নায় আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে। তারাপাশা ও রন্নারচর গ্রামে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। স্বপ্ন পূরণের আশায় বিদেশ গিয়ে এমন সলিল সমাধি হবে, তা মেনে নিতে পারছেন না পরিবারের সদস্যরা। স্থানীয় প্রশাসন ও সরকারের কাছে নিহতদের বিষয়ে বিস্তারিত খোঁজ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলো।

 

উল্লেখ্য, লিবিয়া হয়ে ইউরোপে প্রবেশের এই বিপজ্জনক পথে প্রতি বছরই শত শত বাংলাদেশি প্রাণ হারাচ্ছেন। দালালদের খপ্পরে পড়ে সর্বস্ব হারিয়ে শেষ পর্যন্ত মৃত্যুর মুখে পতিত হওয়ার এই মিছিল যেন থামছেই না।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৬ সিলেটের সংগ্রাম