
জগন্নাথপুরে রাস্তা সংস্কারে অনিয়মের অভিযোগ ভিত্তিহীন দাবি ইউপি সদস্য তেরা মিয়ার:
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলার রানীগঞ্জ ইউনিয়নের বাগময়না গ্রামের দুটি রাস্তার মাটি ভরাটের কাজ না করে অর্থ আত্মসাতের যে অভিযোগ উঠেছে, তাকে সম্পূর্ণ ‘মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত’ বলে দাবি করেছেন ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য তেরা মিয়া।
সম্প্রতি একটি মহল তাঁর সামাজিক ও রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার লক্ষ্যে অপপ্রচার চালাচ্ছে উল্লেখ করে তিনি জানান, সিডিউল অনুযায়ী শতভাগ স্বচ্ছতার সাথে নির্ধারিত দুটি রাস্তার মাটি ভরাটের কাজ দৃশ্যমানভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে।
ইউপি সদস্য তেরা মিয়া বলেন: “বাগময়না গ্রামের সড়ক দুটির উন্নয়ন কাজ গ্রামবাসীর চলাচলের সুবিধার্থেই শতভাগ নিয়ম মেনে করা হয়েছে। প্রকল্পের বরাদ্দকৃত অর্থের যথাযথ ব্যবহার করে কাজটি শেষ করার পরই সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বিল উত্তোলন করা হয়েছে। একটি কায়েমী স্বার্থান্বেষী মহল ব্যক্তিগত আক্রোশ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ আনছে।” জাকির হোসেন আমাদের নির্মিত রাস্তায় কেটে দেয়। তার বিলে মাছ প্রবেশের জন্য। আমি রাস্তার কাটার প্রতিবাদ করলে উদ্দ্যেশ প্রনোদিত ভাবে আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অপপ্রচার ছড়ায়। এই রাস্তায় কাটার ফলে কৃষকের ভোগান্তি দেখা দিয়েছে৷ প্রায় ছয়শত কেদারা আমন জমিন হুমকির মুখে রয়েছে। আমি ও আমার পরিবার সম্পর্কে এলাকার মানুষ অবগত। আমি ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে সততার সাথে দায়িত্ব পালন করছি। আমি বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচার ছড়ানো জন্য আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
তিনি আরও জানান, প্রকল্প বাস্তবায়নের সময় স্থানীয় প্রবীণ ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন এবং কাজের মান নিয়ে গ্রামবাসীর কোনো ক্ষোভ নেই। সংবাদমাধ্যমে বা প্রশাসনিক তদন্তে সততা প্রমাণের জন্য যেকোনো সময় সরেজমিনে এসে রাস্তা দুটি পরিদর্শনের জন্য তিনি প্রশাসন ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানান।
এদিকে স্থানীয় সুবিধাভোগীদের একাংশ জানান, রাস্তা দুটিতে মাটি ভরাটের ফলে বর্ষাকালে কাদাপানির ভোগান্তি থেকে এলাকার সাধারণ মানুষ অনেকটাই রেহাই পেয়েছে। অহেতুক উন্নয়নমূলক কাজ নিয়ে বিতর্ক সৃষ্টি না করার অনুরোধ জানিয়েছেন স্থানীয়রা।