
অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে ১৫ থেকে ১৭টি ভুয়া আইডি ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্যক্তির ছবি সংগ্রহ, ডিজিটাল মাধ্যমে তা সম্পাদনা করা হতো। পরবর্তীতে সেই ছবিগুলো দিয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে অর্থ আদায়ের চেষ্টা চালাতেন তারা। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মহলে তীব্র উদ্বেগ ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
সাইবার অপরাধের এই অভিযোগের সূত্র ধরে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগকারীদের দাবি, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ সন্ধ্যা ৭টার দিকে সিলেট থেকে পিকলু সরকার ও তুষ্টিকে আটক করা হয়েছে। তবে আটকের এই বিষয়টি সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা বাহিনী বা আদালতের আনুষ্ঠানিক নথির মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
অভিযোগকারীদের আরও দাবি, অভিযুক্তদের ব্যবহৃত বিভিন্ন ডিভাইস ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলো খতিয়ে দেখে ব্ল্যাকমেইলের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কিছু আপত্তিকর ছবি ও তথ্যের সন্ধান পাওয়া গেছে। এসব অভিযোগের সত্যতা শতভাগ নিশ্চিত করতে সাইবার বিশেষজ্ঞদের মাধ্যমে ডিজিটাল ফরেনসিক তদন্ত অত্যন্ত জরুরি।
এদিকে, ধামাইলের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী ও লোকসংস্কৃতির নাম ব্যবহার করে কেউ ব্যক্তিগত স্বার্থে বা অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করলে তা প্রকৃত সংস্কৃতিচর্চাকারীদের জন্যও গভীর উদ্বেগের বিষয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আইনজীব ও সংশ্লিষ্টদের মতে, অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়া পর্যন্ত কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিবিড় তদন্ত, যথাযথ মামলা এবং আদালতের পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের মাধ্যমেই কেবল প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটিত হবে।