1. sylhetersangram2025@gmail.com : sylhetersangram :
জগন্নাথপুরে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজে গুরুত্বহীন পাউবো সব সামলাচ্ছেন ইউএনও অফিসের নাজির ও পিয়ন - sylhetersangram
৫ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২১শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| বুধবার| সকাল ৭:১৭|
Title :
শাবিপ্রবিতে বাংলা বিভাগের প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের নিবন্ধন শুরু শাবিপ্রবিতে স্বপ্নোত্থানের ১৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন দিরাই থানার ওসি আমিনুল ইসলাম সিলেট রেঞ্জের ‘শ্রেষ্ঠ ওসি’ নির্বাচিত দিরাইয়ে সীমান্তিক এনজিওর উদ্যোগে বিশ্ব মাতৃদুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় চ্যারিটি রান, হস্তান্তর ৬০ হাজার টাকা সাস্ট এসপিই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের আয়োজনে ‘PetroX-2026’ অনুষ্ঠিত এক যুগ পূর্তি উদযাপন করল পুসাব, উদ্বোধন হলো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট রাজনগরে স্কুলছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার শাবিপ্রবিতে নেত্রবাঁধন ফুটবল চ্যাম্পিয়নস লীগ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দিরাইয়ে মহিলাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ

জগন্নাথপুরে ফসলরক্ষা বাঁধের কাজে গুরুত্বহীন পাউবো সব সামলাচ্ছেন ইউএনও অফিসের নাজির ও পিয়ন

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, মার্চ ৩, ২০২৬,
  • 172 Time View

নিজস্ব প্রতিবেদক

 

জগন্নাথপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের কাজে খবরদারি করছেন উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিস সহকারী ও নাজির। অন্যান্য এলাকায় পিআইসির বিলের চেকসহ আনুষঙ্গিক কাজ পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে বাস্তবায়ন হলেও জগন্নাথপুরে উপজেলায় অফিস সহকারী ও নাজির পাউবোকে গুরুত্বহীন করে দিয়েছেন।

 

উপজেলা কমিটির সেক্রেটারি হিসেবে বিলের চেক ও অন্যান্য বিলসহ আনুষঙ্গিক কাজ পাউবো’র শাখা কর্মকর্তার মাধ্যমে প্রদান করা হলেও জগন্নাথপুরে ব্যতিক্রম লক্ষ করা গেছে। জানা গেছে, জগন্নাথপুরে চলতি বোরো মওসুমে ৩৭টি পিআইসির মাধ্যমে ১৮ কিলোমিটার বেড়িবাঁধের কাজ চলছে। বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ৬ কোটি ১৩ লক্ষ টাকা। উপজেলা কমিটিতে কাবিটা নীতিমালা অনুযায়ী সভাপতি হিসেবে ইউএনও ও সেক্রেটারি হিসেবে পাউবো’র সাবস্টেশন অফিসার পিআইসি গঠন ও অনুমোদন করেছেন। তবে টেকনিক্যাল পার্সন হিসেবে ব্যবস্থাপনার সমূহ কাজ পাউবোকেই করার কথা।

 

কিন্তু এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম জগন্নাথপুর। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লার কার্যালয়ের নাজির মো. মিজানুর রহমান ও অফিস সহকারী লিটন পাউবো’র ফসলরক্ষা বাঁধের ব্যবস্থাপনার দায়িত্বও নিয়েছেন। তারা পিআইসি গঠন থেকে অনুমোদন এবং বিলের চেক বিতরণসহ নানা কাজই করছেন। এটা করতে গিয়ে তারা অনেক পিআইসি’র কাছ থেকে সুবিধা নিচ্ছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। একই সাথে গুরুত্বহীন করে দিয়েছেন পাউবোকে।

নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক নলুয়ার হাওরের এক পিআইসি সভাপতি বলেন, কোনও কাজের জন্য এখনো আমাদের পাউবোতে যেতে হয়নি। নাজির মিজান সাহেব ও পিয়ন লিটন সাহেবেই সব কাজ করছেন। তারাই আমাকেসহ অন্যান্য পিআইসিদের বিলের চেক দিয়েছেন। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নাজির মো. মিজানুর রহমান বলেন, বাঁধের সব কাজই করছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। এটা তাদের এখতিয়ার।

তবে তিনি কেবল বিলের চেক লিখে দিচ্ছেন জানিয়ে বলেন, আমরা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনায় তিনি জড়িত নই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. বরকত উল্লাহ বলেন, নীতিমালা অনুযায়ীই কাজ হচ্ছে। যারা অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ এনেছে তা সঠিক নয়। এসব আন্দাজে বলছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৬ সিলেটের সংগ্রাম