1. sylhetersangram2025@gmail.com : sylhetersangram :
দিরাই–শাল্লা সড়কে উন্নয়নের নামে লুটপাট - sylhetersangram
২রা আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| রবিবার| রাত ১০:৩৭|
Title :
শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীর চিকিৎসায় চ্যারিটি রান, হস্তান্তর ৬০ হাজার টাকা সাস্ট এসপিই স্টুডেন্ট চ্যাপ্টারের আয়োজনে ‘PetroX-2026’ অনুষ্ঠিত এক যুগ পূর্তি উদযাপন করল পুসাব, উদ্বোধন হলো অফিসিয়াল ওয়েবসাইট রাজনগরে স্কুলছাত্রকে ধর্ষণের অভিযোগে মামলার আসামি র‍্যাবের হাতে গ্রেপ্তার শাবিপ্রবিতে নেত্রবাঁধন ফুটবল চ্যাম্পিয়নস লীগ-২০২৬ অনুষ্ঠিত দিরাইয়ে মহিলাকে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগ ‎লক্ষিপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে দলীয় সমর্থন প্রত্যাশী ফরাস উদ্দিন ‎ সফলভাবে সম্পন্ন হলো রোটারেক্ট ক্লাব অব সিলেট এলিগ্যান্সের ‘এলিভেট-২০২৬’ দিরাইয়ে লোকসংগীত ও লোকনৃত্য একাডেমির ২য় প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন সংবাদকর্মীকে নিয়ে ফেসবুকে কুরুচিপূর্ণ প্রচারের অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

দিরাই–শাল্লা সড়কে উন্নয়নের নামে লুটপাট

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, জানুয়ারি ৪, ২০২৬,
  • 307 Time View

দিরাই (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি : কামরুল হাসান মিটু

 

সুনামগঞ্জের দিরাই–শাল্লা সড়ক নির্মাণ প্রকল্পে উন্নয়নের নামে ভয়াবহ অনিয়ম ও নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। গুরুত্বপূর্ণ এই যোগাযোগ সড়কে কাজ চলমান থাকতেই বিভিন্ন স্থানে ধস দেখা দেওয়ায় প্রকল্পটির মান ও স্বচ্ছতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মানসম্মত ধোয়া পাথরের পরিবর্তে মাটি ও ময়লা মিশ্রিত নিম্নমানের লাল পাথর ব্যবহার করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ভালো মানের সিমেন্টের বদলে নিম্নমানের সিমেন্ট ব্যবহার করায় ঢালাইয়ের পরও ব্লক ক্ষয়ে যাচ্ছে।

 

সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায়, গাইড ওয়াল নির্মাণ না করেই ব্লক বসানো হচ্ছে। এর ফলে কাজ চলাকালীন অবস্থাতেই রাস্তার একাধিক অংশ বসে যাচ্ছে ও ধসে পড়ছে। অনেক স্থানে ভাঙা, ফাটা ও টেম্পারবিহীন ব্লক ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলো বসানোর আগেই খণ্ডিত হয়ে পড়ছে।

 

সবচেয়ে উদ্বেগজনক বিষয় হলো—হাওরাঞ্চলের এই সড়কে মাটির পরিবর্তে অবৈধভাবে উত্তোলিত বিটবালু দিয়ে ভরাট করা হচ্ছে। অথচ কিছুদিন আগেই দিরাই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সানজীব সরকার অবৈধ বিটবালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িত মেশিন ও সরঞ্জাম জব্দ করেছিলেন। এরপরও একই বালু সড়ক নির্মাণে ব্যবহৃত হওয়ায় প্রশাসনিক নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

 

এই অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার আনোয়ার হোসেন দায় এড়িয়ে বলেন,

“কাজ ঠিকমতো হচ্ছে। আর যেসব ঘাটতি আছে, সেগুলো পরে ঠিক করে দেওয়া হবে।”

 

তবে স্থানীয়রা বলছেন, কাজ শেষ হওয়ার আগেই যদি রাস্তা ধসে পড়ে, তাহলে ‘পরে ঠিক করা’র অজুহাত কতটা কার্যকর হবে—তা নিয়েই সন্দেহ। তাদের মতে, এভাবে নিম্নমানের সামগ্রী দিয়ে কাজ করলে কয়েক মাস না যেতেই সড়কটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়বে।

 

রাস্তায় কর্মরত শ্রমিকরা জানান, তারা প্রকৌশলীদের নির্দেশনা অনুযায়ীই কাজ করছেন। এতে স্পষ্ট হয়, নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের দায় শুধু শ্রমিকদের নয়, বরং পুরো বাস্তবায়ন ব্যবস্থার ওপরই বর্তায়।

 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে আমাদের প্রতিনিধি সুনামগঞ্জ জেলা সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের পরিচালকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি, যা বিষয়টিকে আরও রহস্যজনক করে তুলেছে।

 

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, অবিলম্বে এই প্রকল্পের কাজ বন্ধ করে নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করতে হবে। নচেৎ উন্নয়নের নামে হাওরাঞ্চলের এই গুরুত্বপূর্ণ সড়কটি দুর্নীতি ও অবহেলার স্মারক হয়ে থাকবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
ওয়েবসাইটের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি। স্বত্ব © ২০২৬ সিলেটের সংগ্রাম