
স্টাফ রিপোর্টার:
১৬ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিকেলে ঢাকার একটি আবাসিক হোটেলে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী স্বামী মোঃ রিপন আলী বলেন, আমি একজন চাকরিজীবী মানুষ। দীর্ঘ ৩ বছর যাবত ঢাকায় একটি কোম্পানিতে কর্মরত রয়েছি। আমি ঢাকায় কর্মরত থাকাকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফৌজিয়ার সাথে পরিচয় তারপর একজন অন্যজনকে ভালোবাসে ২০২৪ সালের ১৬ অক্টোবর সুনামগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার জয়নগর ইউনিয়নের হোসেন নগর গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী আব্দুল হামিদের বড় মেয়ে ফৌজিয়াা আক্তারকে (২০) সুনামগঞ্জ আদালতে হাজির হইয়া আমরা দুজন বিয়ে করি।
বিয়ের কিছুদিন পর আমি ঢাকা ফেরত গেলে আমার স্ত্রী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরিচয় হয়ে, সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার মোহাম্মদপুর গ্রামের নিজাম উদ্দিন (২৮) নামে সঙ্গে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে।
কিছুদিন পরে আবার ও আমি বাড়ি থেকে আমার কর্মস্থলে যাওয়ার পরে সে তার পরকীয়া প্রেমিক নিজাম উদ্দিন এর সাথে পালিয়ে যায়। এসময় সে আমার ঘরে থাকা নগদ এক লাখ চল্লিশ হাজার টাকাসহ আনুমানিক ৫ লক্ষ ৯৫ হাজার টাকার স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়।’
উল্লেখ ফৌজিয়াকে বিয়ে করার পর আমাকে এবং আমার পরিবারকে সব সময় মানসিক চাপ রাখতেন একাধিক বার আমাকে না বলে সে বাবার বাড়িতে চলে যায় শেষ পর্যন্ত সে আর আমার কাছে আসে নাই, তাকে আনতে চাইলে সে আমার কাছে আসবে না বলে দেয়, ইচ্ছামত ছিল তার চলাফেরা। ফৌজিয়া ২২ শে জুলাই থেকে আজ অব্দি সে তার মামাতো বোনের বাসায় আড়াই মাস থাকার পর এখন বাড়িতে অবস্থান করছে প্রায় ১৫ দিন।
ফৌজিয়ার এক ফুফাতো ভাই আবুল হাসান নামে (৩৫) তার সাহায্য চাইলে সে আমার কাছে ফৌজিয়াকে এনে দিবে বলে নানান প্রলোভন দেখিয়ে অনেক টাকা হাতিয়ে নেয়। এক পর্যায়ে ফৌজিয়ার পরিবার লোভে পরে ভুয়া উকিল নোটিশ আমাকে পাঠিয়েছে একাধিকবার ফৌজিয়া নাকি আমাকে তালাক দিয়েছে এই বিষয় আমি কিছুই জানিনা।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও বলেন, ‘একজন চাকরিজীবী হিসাবে সরকারের নিকট আমার আকুল আবেদন, আমার কষ্টার্জিত খোয়া যাওয়া নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং অন্যান্য মালামাল দ্রুত ফেরত পাওয়াসহ অভিযুক্তদের আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানাচ্ছি।