
ছাত্রনেতা থেকে বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামের মাধ্যমে জননেতা হয়ে উঠেছেন দিরাই শাল্লার সর্বস্তরের জনগণের কাছের মানুষ এডভোকেট তাহির রায়হান চৌধুরী পাবেল। দিরাই উপজেলার ঐতিহ্যবাহী তাড়ল গ্রামের রাজনৈতিক পরিবারে তার জন্ম।
ছাত্র জীবন থেকেই নম্র ভদ্র অমায়িক স্বভাবের অধিকারী পাবেল রাজনীতিতে সম্পৃক্ত, দীর্ঘদিন দিরাই উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, সুনামগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি ও সিলেট এমসি কলেজ ছাত্রাবাস শাখা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘদিন আইনজীবী হিসেবেও সিলেট জর্জকোটে সুনামের সাথে কাজ করেছেন Adv Tahir Chowdhury Pabel
পাবেল চৌধুরীর শ্রদ্ধেয় পিতা মরহুম আব্দুস শহীদ চৌধুরী ছিলেন তৎকালীন সুনামগঞ্জ মহকুমা ছাত্র ইউনিয়ের সাধারণ সম্পাদক ও সভাপতি। সুনামগঞ্জ সরকারি কলেজের ভিপি মরহুম আব্দুস শহীদ চৌধুরী। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির অন্যতম নেতা, বিভিন্ন সময় সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক ও সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, এছাড়া দিরাই-শাল্লা উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতাকালীন সমন্বয়কারী, দিরাই উপজেলা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক এবং ৩/৪ মেয়াদে নির্বাচিত সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন বর্ষীয়ান এই রাজনীতিবিদ।
পাবেল চৌধুরীর চাচা( তাঁর বাবার চাচাতো ভাই)মরহুম গোলাম জিলানী চৌধুরী ছিলেন ১৯৭৯ সালে দিরাই-শাল্লা আসনে বিএনপির সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং সুনামগঞ্জ জেলার প্রতিষ্ঠাকালীন সাধারণ সম্পাদকের মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন।
যুক্তরাজ্যে যাওয়ার পরও বিএনপির রাজনীতিতে সক্রিয় পাবেল চৌধুরী। দুই মেয়াদে যুক্তরাজ্য বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক ও আইন বিষয়ক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করছেন। বর্তমানে যুক্তরাজ্যে বিএনপির সিনিয়র সদস্য এবং সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সদ্য বিলুপ্ত কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে দলীয় কার্যক্রমে সক্রিয় রয়েছেন।
২০১৪ সালের পর মরহুম আব্দুস শহীদ চৌধুরী বার্ধক্যজনিত কারণে রাজনীতি থেকে অবসর নিলে তখন তাঁর বাবার নির্দেশে লন্ডন থেকে বিলাসী জীবন ছেড়ে দলের দুঃসময়ে দিরাই-শাল্লার মানুষের পাশে দাড়ান।
২০১৭ সালের বন্যায় সুনামগঞ্জের কৃষকদের ফসল, মাছ এবং ঘরবাড়ি ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়। দলের নির্দেশে তখন তিনি কৃষকদের পাশে দাড়ান। ২০১৪ সালের নাটকীয় নির্বাচন থেকে শুরু করে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিএনপি ও তাঁর অঙ্গ সহযোগী সংগঠনের নেতা কর্মীদের উপরে ধড়-পাকড় শুরু হয়। তিনি তখন নেতা কর্মীদের পাশে থেকেছেন ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশে সর্বোচ্চ সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন।
২০১৯ সালে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় শাল্লায় যখন উশৃংখল পরিবেশ তৈরি হলে বিএনপির কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল আসে, নেতৃত্বে ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সাবেক মন্ত্রী এডভোকেট Nitai Roy Chowdhury ও এডভোকেট Nipun Roy Chowdhury সহ অনেকই, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সর্ববিষয়ে সহযোগীতার হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন পাবেল।
২০২০ সালের প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাস সংক্রামন ছড়িয়ে পড়লে, লকডাউনের জন্য মানুষের রুজিরোজগার রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়, তখন তিনি মেডিকেল ইকুইপমেন্ট ও খাদ্য সামগ্রী নিয়ে মানুষের পাশে দাড়ান।
২০২২ সালে আকস্মিক বন্যায় যখন সিলেট বিভাগের সবগুলো অঞ্চল পাহাড়ি ডলে পানিতে তলিয়ে যায় তখন তিনি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সাহেবের নির্দেশে, বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির মান্যবর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী মজলুম জননেতা বাবু Gayeshwar Chandra Roy উপস্থিতিতে দিরাই-শাল্লার বিভিন্ন এলাকায় শুকনো খাবার,এান সামগ্রী ও নগদ অর্থ সহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের মধ্যে পৌঁছে দেন।
২০২৪ সালের নির্বাচনে দলীয় নির্দেশনায় ভোট বর্জনের জন্য এলাকায় প্রচারণা চালান এবং লিফলেট বিতরণ করেন। ২০২৪ জুলাইয়ে ছাএ জনতার আন্দোলনে তিনি সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।
দিরাই-শাল্লার মানুষ ও বিএনপি দলীয় নেতাকর্মীরা যেভাবে মৃত্যুর পুর্বের দিন পর্যন্ত শহীদ চৌধুরীকে তাদের সুখে-দুঃখে পাশে পেয়েছিলো, তেমনি এডভোকেট তাহির রায়হান চৌধুরী পাবেলকে আজীবন তাঁরা তাঁদের পাশে পাবে একথা আমি দৃঢ়তার সাথে বলতে পারি এবং আমি এডভোকেট পাবেল এর উত্তোরোত্তর সাফল্য কামনা করি।
দিরাই শাল্লার মানুষের কাছে ছাত্রনেতা থেকে জননেতা হয়ে উঠা পাবেলকে নিয়ে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সুনামগঞ্জ ২ আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন দেওয়ার স্বপ্ন দেখছেন দিরাই-শাল্লা ভাটিঅঞ্চলের মানুষ।
উল্লেখ্য: ২০১৮ সালের নির্বাচনে সুনামগঞ্জ ০২ দিরাই-শাল্লায় তাঁকে প্রাথমিক ভাবে মনোনয়ন দেয় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল।