
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার মান্নারগাঁও ইউনিয়নের ঢুলপশী গ্রামের কপিয়া বেগম তার নোটারি বিবাহিত স্ত্রীর বিরুদ্ধে সন্তানকে মিথ্যা জন্মপরিচয় দেওয়ার অভিযোগ এনেছেন।
নোটারি বিবাহের পর প্রতারণার অভিযোগ, ভুক্তভোগী দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের কাছে সংবাদ প্রকাশের জন্য লিখিত আবেদন করেন ।
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার একটি গ্রামের সায়রুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি নোটারি পাবলিকে বিবাহের পর প্রতারণার শিকার হওয়ার অভিযোগ তুলেছেন।
তিনি দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের মাধ্যমে বিষয়টি গণমাধ্যমে তুলে ধরার অনুরোধ জানিয়েছেন।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, ব্যবসার সুবাদে ওই গ্রামে যাতায়াতের সময় তার সঙ্গে এক নারীর পরিচয় হয় এবং পরবর্তীতে নোটারি পাবলিকের মাধ্যমে তাদের বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহের পর তিনি জানতে পারেন, ওই নারী বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িত ছিলেন এবং অন্য একাধিক পুরুষের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন।
অভিযোগে তিনি আরও জানান, বিবাহের পর জন্ম নেওয়া সন্তানকে তার পুত্র হিসেবে পরিচয় দেওয়া হলেও পরবর্তীতে তিনি নিশ্চিত হন যে শিশুটি তার সন্তান নয়। জন্ম সংক্রান্ত পরিচয়েও তাকে মিথ্যা তথ্য দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
ভুক্তভোগীর দাবি, এসব ঘটনায় তিনি মানসিক ও সামাজিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিষয়টি সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের স্বার্থে প্রশাসন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে তিনি দোয়ারাবাজার উপজেলা প্রেসক্লাবের সহযোগিতা কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত পক্ষের বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি। তবে স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, অভিযোগের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটন হওয়া প্রয়োজন।