
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :
প্রকাশিত সংবাদের ভিন্ন মত ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিমুলবাক ইউনিয়নের ০২ নং ওয়ার্ড সদস্য মো: ফয়জুর রহমান।
গত দুই দিন আগে জাতীয় ও স্থানীয় কয়েকটি সংবাদ মাধ্যমে আমরিয়া কবরস্থানের মাটি-কাটা নিয়ে একটি সংবাদ প্রকাশ হয়। ইউপি সদস্য ফয়জুর রহমান জানান, আমি গ্রামের স্বার্থে কবর স্থানে মাটি কাটিয়েছি। আমার গ্রামের আব্দুল হান্নান সহ একাধিক ব্যাক্তি আমার উপর ঈর্ষান্বিত হয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের অফিসে একটি মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেন। উপজেলা প্রশাসন ও পি আই ও মহোদয় অবগত যে সমস্ত টাকা দ্বারা আমি গ্রাম বাসীর কল্যাণে কবরস্থানে মাটি ভরাট করিয়েছি। আমি আমার গ্রাম বাসীকে নিয়ে সকলের সর্ব সম্মতিক্রমে এ কাজ করাই। একদল কুচক্রী মহল স্বার্থের টানে আমার উপর মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন অপপ্রচার চালিয়েছে। যারা আমার উপর অভিযোগ দায়ের করেছেন তার মধ্যে মঞ্জুর আলী, জসিম উদ্দিন ও বশির সহ উনারা কয়েকজন আমার কাছে নগদ দশ হাজার টাকা নগদ দাবী করেন। আমি একজন মুসলমান আমি কিভাবে এই কবরস্থানের বরাদ্দের টাকা থেকে উনাদের টাকা দেই!। আমি টাকা না দেওয়াতে তারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন সহ গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে আমার আকুল আহব্বান, আপনারা সরজমিনে এসে যাচাই বাচাই করুন। আমি ইউপি সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে অত্যান্ত সততার সাথে উপজেলা প্রশাসনের প্রতিটি কাজ করিয়েছি। আমি এবং আমার পরিবার সম্পর্কে যারা অবগত আছেন সকলেই আমাকে জানেন। আব্দুল হান্নান সহ যারা আমার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ ও সংবাদ প্রকাশ করিয়েছেন আমি এই সমস্ত কর্মকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।
আমি ও আমার পরিবারের মান সম্মান ক্ষুন্ন হয়েছে। আগামীতে যদি যে বা যাহারা আমার বিরুদ্ধে না জেনে মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করবেন আমি একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে আইনের আশ্রয় নিব।