
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.নিজাম উদ্দিন বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)-এর খণ্ডকালীন সদস্য মনোনীত হয়েছেন।
ইউজিসির সচিব ড. মো. ফখরুল ইসলাম গত ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ তারিখে স্বাক্ষরিত এক পত্রের মাধ্যমে উপাচার্যকে বিষয়টি অবহিত করেন।
বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (President’s Order No.10 Of 1973) এর (৪) (১) ( ডি) ও (৪) (৫ ) ধারার বিধান অনুসারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন কর্তৃপক্ষের গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ৫ অক্টোবর থেকে পরবর্তী দুই বছরের জন্য এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে।
অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিন দেশের একজন স্বনামধন্য শিক্ষাবিদ ও গবেষক। তিনি শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হতে স্নাতক (সম্মান) ও এমএসসি, বুয়েট হতে এমফিল এবং জাপান হতে মাস্টার্স অব ইঞ্জিনিয়ারিং ও পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
উল্লেখ্য যে, তিনি সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৪ সালের ১৯ ডিসেম্বর উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহন করেন। এছাড়াও কর্মজীবনে তিনি যেসকল দায়িত্ব পালন করেছেন তারমধ্যে উল্লেখযোগ্য; ডিন ও ছাত্রকল্যাণ উপদেষ্টা, সুবিপ্রবি, সাবেক পরিচালক, IQAC, শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।
এদিকে খণ্ডকালীন সদস্য মনোনীত করায় ইউজিসি কর্তৃপক্ষকে হাওড় অঞ্চলের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ খ্যাত সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে পক্ষ থেকে কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো.নিজাম উদ্দিন।
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিন বলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের খণ্ডকালীন সদস্য মনোনীত হওয়া অত্যন্ত সম্মানের এবং এই অর্জন শুধু আমার একার নয়, এই অর্জন সুবিপ্রবি পরিবারের সাথে সংশ্লিষ্ট সকল শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীর অর্জন বলেই আমি মনে করি। তিনি আরো বলেন, আমি আমার দীর্ঘদিনের অর্জিত জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা দিয়ে নিষ্ঠার সাথে এ দায়িত্ব পালন করার চেষ্টা করবো।
সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের খণ্ডকালীন সদস্য মনোনীত হওয়ায় সুবিপ্রবি পরিবার আনন্দিত ও গর্বিত।
তারা আশা প্রকাশ প্রকাশ করেছেন, অধ্যাপক ড. মো. নিজাম উদ্দিনের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও দূরদর্শী নেতৃত্ব দেশের উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নয়ন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।