
সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার চরনারচর ইউনিয়নের মিলন বাজারে দিরাই থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাকের নেতৃত্বে
২২ শে অক্টোবর বুধবার বিকাল ৫ ঘটিকায় এক ভিট পুলিশ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সভাপতিত্ব করেন বাজার কমিটির সভাপতি আরিফ তালুকদার সঞ্চালনা করেন চরনারচর ইউনিয়ন ভিট পুলিশ কর্মকর্তা এস আই আব্দুল হেকিম
উক্ত সভায় বক্তব্য রাখেন ওসি তদন্ত উত্তম দাস, দৈনিক সত্য প্রবাহের সম্পাদক রুকনুজ্জামান জহুরী, চরনারচর ইউনিয়নের জামায়াত নেতা নুরুল ইসলাম , আব্দুল মতিন তালুকদার ,সাবেক মেম্বার অধির দাস, সুনীল দাসসহ ইউনিয়নের সচেতন নাগরিক সহ অনেকেই।
সভায় অফিসার ইনচার্জ আব্দুর রাজ্জাক বলেন দিরাই উপজেলাকে মাদক,সন্ত্রাস, ইভটিজিং ,বাল্যবিবাহরোধসহ সকল প্রকার অন্যায় ও অপরাধমুক্ত উপহার দিতে চাই। আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ প্রশাসন সর্বদা জনগণের পাশে আছে। তবে শুধুমাত্র প্রশাসনের উদ্যোগ নয়, জনসচেতনতা ও সামাজিক প্রতিরোধই প্রকৃত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পারে।”
(ওসি) আব্দুর রাজ্জাক, আরও বলেন যোগদানের পর পুলিশের ভেঙ্গেপড়া মনোবল বৃদ্ধি,মাদক,সন্ত্রাস,চাঁদাবাজি, বাল্যবিয়ে, চোরাচালান ও দখলদারিত্ব মুক্ত উপজেলা গড়নে এবং তাঁর উদ্যোগের কথা তুলে ধরে সকলের সহযোগিতা কামনা করেন।
জানাযায়,মানুষ প্রতিনিয়ত নানান সমস্যা নিয়ে থানায় হাজির হয়ে সন্তুষ্টি মনে ফিরে যাচ্ছেন। তবে মানুষের সমস্যাগুলোর মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত বেশি সমস্যা পরিলক্ষিত হচ্ছে। কথা হয় জমিজমা সংক্রান্ত জটিলতায় ভুক্তভোগী নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজনের সাথে।
তিনি জানান, অনেক দিন হলো বাড়ীর সীমানা নিয়ে প্রতিবেশির সাথে ঝামেলা চলছিলো ওসি সেটার সমাধান করে দিলেন। কোন টাকা-পয়সা লাগলো কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে ভুক্তভোগীা জানান, টাকা-পয়সা তো লাগলোই না বরং ওসি হামাক চা খাওয়ালো।
সাংবাদিক রকুনুজ্জামান জহুরী বলেন,থানায় ওসির যোগদান করার পর থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটছে। তিনি হাঁসিমুখে মানুষের সমস্যার কথা শুনে আইনের মধ্যে থেকে তা সমাধান করে দেওয়ায় তাঁর কার্যক্রমে মানুষ সন্তুষ্টি বোধ করছেন।
দিরাই থানা অফিসার ইনচার্জ(ওসি) রাজ্জাক বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার স্যারের দিক নির্দেশনায় দিরাইয়ে পুলিশের মনোবল ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হয়েছি। রাতে পুলিশি টহল ও দিনে কঠোর নজরদারির ফলে আইনশৃঙখলা পরিস্থিতির উন্নতি ঘটছে।
এবং সাংবাদিক,জনপ্রতিনিধি,রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও সুশিল সমাজের প্রতিনিধির সার্বিক সহায়তায় মাদক,সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও চোরাচালান রোধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা সম্ভব হয়েছে। মানুষকে আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল করতে এবং তাদের জান-মালের নিরাপত্তা নিশ্চিতে কাজ করছেন বলে জানান তিনি।